ঢাকা ১০ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
চট্টগ্রামে শিশু ইরা মনি ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা মামলার আসামি বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড চেকপোস্টের সামনেই ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ লুট: জাপান যাওয়া হলো না প্রবাসী দম্পতির মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড কিশোরগঞ্জে থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হাম ও উপসর্গে মৃত্যু সাড়ে ৭ শ ছুঁইছুঁই পে-স্কেলের হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে সচিব কমিটি, আসছে বড় পরিবর্তন বাঁশখালীতে পানিবন্দি আট মাসের শিশুকে পাতিলে করে উদ্ধার দেশে যুক্ত হলো আরও ৩ নতুন উপজেলা, প্রজ্ঞাপন জারি বিশ্বের বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান বদলাতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঈদের আগে জিম্মি নাবিকদের মুক্তি নিয়ে সংশয়

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩১ মার্চ, ২০২৪,  11:34 AM

news image

সোমালি জলদস্যুদের কবলে পড়া বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ ও ২৩ নাবিককে ঈদের আগে মুক্তি নিয়ে সংশয়ের কথা জানিয়েছে জাহাজটির মালিকপক্ষ কবির গ্রুপের (কেএসআরএম) অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এসআর শিপিং কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৩০ মার্চ) প্রতিষ্ঠানটি জানায়, বেশ কিছু গণমাধ্যমে জাহাজ ও নাকিবদের ফিরিয়ে আনা হবে বলে যে খবর প্রকাশিত হচ্ছে তা সঠিক নয়। কেএসআরএম মিডিয়া উপদেষ্টা মিজানুর ইসলাম বলেন, ঈদের আগে জিম্মিদের মুক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দস্যুদের প্রতিনিধির সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। আলোচনার অগ্রগতি হয়েছে, তবে ঈদের আগে মুক্ত হবে কি না তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

ঈদের আগে জিম্মিরা মুক্তি পেলেও তারা ঈদের আগে দেশে ফিরতে পারবেন না। তিনি বলেন, নাকিবদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বেশ কিছু প্রসেস সম্পূর্ণ করতে হয়। যেসব করে তাদের দেশে আনতে ২৫-৩০ দিন সময় লাগবে। তবে প্রকৃত সত্য হচ্ছে, ঈদের আগে নাবিকদের মুক্ত করা কঠিন। গত ৪ মার্চ আফ্রিকার দেশ মোজাম্বিকের মাপুটো বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে এমভি আবদুল্লাহ। জাহাজটি কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ১২ মার্চ দুপুরে ভারত মহাসাগরে সোমালিয়ান জলদস্যুদের কবলে পড়ে জাহাজটি। ২০১০ সালের ৫ ডিসেম্বর আরবসাগরে একই প্রতিষ্ঠানের জাহাজ ‘এমভি জাহান মণি’ জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল। পরে ওই জাহাজের ২৫ নাবিক ও প্রধান প্রকৌশলীর স্ত্রীকে জিম্মি করে দস্যুরা। পরে নানাভাবে দেনদরবার ও দরকষাকষি শেষে দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করে ২০১১ সালের ১৪ মার্চ তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম