ঢাকা ০৯ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সিলেট ও চট্টগ্রামে ১০ স্টেশনে পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার আশঙ্কা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে পালালো পাষণ্ড স্বামী প্রাথমিকের বৃত্তির ফল আজ প্রকাশ হচ্ছে না ইরানের ‘হত্যার তালিকায়’ শীর্ষে আমি: ট্রাম্প ফ্রান্সের বিপক্ষে মহারণের আগে বড় ধাক্কা মরক্কোর পাহাড় ধসে কক্সবাজারে দুই শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশে অবৈধভাবে পুশব্যাক করা ৪ জনকে ফেরানো হলো ভারতে বিশ্বকাপ ফাইনালের মঞ্চ মাতাবেন যারা সংবিধানে ফিরেছে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের ৮ সেনা নিহত

দেশের ওপর ঋণের বোঝা চাপাচ্ছে জলবায়ু তহবিল: টিআইবি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ মে, ২০২৪,  3:12 PM

news image

গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিএসএফ) বা সবুজ জলবায়ু তহবিল দেশের ওপর ঋণের বোঝা বাড়াচ্ছে বলে অভিমত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি)। সংস্থাটির বক্তব্য, গত এক দশকে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিএসএফ) বা সবুজ জলবায়ু তহবিলের ভূমিকা হতাশাজনক। জিএসএফ অনুদানের পরিবর্তে অধিক পরিমাণ ঋণ প্রদানের ফলে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশের ওপর ঋণ পরিশোধের বোঝা বাড়ছে। মঙ্গলবার (১৪ মে) টিআইবি’র ‘সবুজ জলবায়ু তহবিলে বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ দেশের অভিগম্যতা : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়। রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয় প্রতিবেদনটি। সম্মেলনে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন, জিএসএফে জবাবদিহিতা করার মতো কোনো অবকাঠামো নেই।

প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব নীতিমালা লঙ্ঘন করছে ও বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। জিএসএফের ত্রুটি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের দেন-দরবারের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে অর্থ প্রয়োজন, জিএসএফের মাধ্যমে সিংহভাগ আসার কথা। কিন্তু জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলো এর সুফল পাচ্ছে না। তারা আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কাছে বেশি অর্থায়ন করছে, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতি প্রতিরোধে জিএসএফের জিরো টলারেন্স নীতি থাকলেও ইউএনডিপির মতো বড় প্রতিষ্ঠানের জলবায়ু প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ অমীমাংসিত রেখে তাদের পুনঃস্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জিএসএফ ইউএনডিপিকে সর্বোচ্চসংখ্যক প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন টিআইবির গবেষক নেওয়াজুল মাওলা ও সহিদুল ইসলাম। গবেষণায় জানানো হয়, জিএসএফের ঋণের অর্থ বিদেশি মুদ্রায় সুদের সঙ্গে ফেরত দিতে হয়। যা ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর বহিস্থ ঋণের বোঝা বাড়ায়। এর ফলে স্থানীয় মুদ্রার ওপর চাপ সৃষ্টিসহ জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এতে জানানো হয়, তহবিলে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অসম প্রতিযোগিতা বিরাজ করছে। দুর্নীতি প্রতিরোধসহ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার ঘাটতির অজুহাতে জিএসএফ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশে বেশি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। সংবাদ সম্মেলনে সবুজ জলবায়ু তহবিলের কান্ট্রি ওনারশিপ নীতিমালা স্পষ্ট করা, তহবিল বাড়ানো, জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়াসহ ৪৪টি সুপারিশ করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম