ঢাকা ১৩ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু টানা বৃষ্টিতে গুলশান লিংক রোডে ধস, চরম ভোগান্তি বন্যায় প্রাণহানির জন্য ফ্যাসিস্ট সরকারের অপরিকল্পিত উন্নয়ন দায়ী: রিজভী ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীর নিয়োগ শিগগিরই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহেশপুর সীমান্তে ১৪ বিজিবির অভিযানে ৭৫ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ উদ্ধার পোস্টমর্টেমে নারী ডোম নিয়োগ চেয়ে হাইকোর্টে রিট ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজারের বেশি মৃত্যু বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি, নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা প্রতি উপজেলায় ৭ হাজার পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী

‘বিদেশি দূতদের অনেক বক্তব্যই অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল’

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ জুলাই, ২০২৩,  2:56 PM

news image

বিদেশি রাষ্ট্রদূতরা দেশে আসেন দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন করতে। কিন্তু অনেক সময় তারা এমন সব কথা বলেন, যা অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের শামিল বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। শনিবার (৮ জুলাই) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ডিক্যাব টকে এ কথা বলেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, গত কয়েক বছরে অনেক নির্বাচন হয়েছে। দু-একটি বাদে সবকটি নির্বাচন স্বচ্ছ হয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা স্বচ্ছ নির্বাচন করব। তবে স্বচ্ছ নির্বাচনের জন্য সব দল-মতের ইচ্ছা এবং প্রতিশ্রুতি থাকতে হবে। তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণের দিক থেকে উন্নত দেশের থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলোতে ২৬-৩০ শতাংশ মানুষ ভোট দেয়। আমাদের দেশে ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দেয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সরকার অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দু-একটা রাজনৈতিক দল না আসলেও বেশির ভাগ দলই নির্বাচনে আসে। আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছি। সরকার সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিদেশিদের নিজের দিকে তাকানো উচিত। আমেরিকায় সন্ত্রাসী দল নির্বাচন করতে পারে না। আমাদের দেশে সন্ত্রাসী দল থাকতে পারে, তারা না আসলে কিছু যায় আসে না। সবাইকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আমন্ত্রণ জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যের পিড়াপিড়িতে না, নিজেদের তাগিদেই ভালো নির্বাচন করতে চাই। মোমেন বলেন, এখন সব দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে আলাপ করতে আগ্রহী। দেখেন কত দেশ আসতেছে। আমরা না ডাকতেও আসছে। আমাদের ভাবমূর্তির পরিবর্তন হয়েছে। অনেক বিষয়ে আমরা পৃথিবীর কাছে সম্মানীয়। সব সম্ভব হিয়েছে স্থিতিশীল সরকার থাকায়। তিনি বলেন, আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রয়েছে। পৃথিবীর কোনো দেশে এত মামুষ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য জীবন দেয়নি। বিদেশিদের এটা জানা উচিত। মন্ত্রী বলেন, কারও কারও ধারণা আমরা চীনের দিকে ধাবিত হয়ে যাচ্ছি। আমরা কারও লেজুড় না। আমরা কারও দিকে ধাবিত হচ্ছি না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের এক নম্বর স্টেকহোল্ডার হলো ভারত। তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত। আমাকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, তিনি শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাতে চান। এ ছাড়াও নেপাল, ভুটান সবার সঙ্গে আমাদের ভালো সম্পর্ক। চীন আমাদের বন্ধু। সৌদি আরব, ইউএই, যুক্তরাজ্য প্রত্যেকটা দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আগের থেকে ভালো হয়েছে। তিনি বলেন, ভৌগলিক কারণে অনেকের নজর আমাদের দিকে। এত দ্রুত উন্নয়নের কারণে আমরা অনেকের চক্ষুশূল হয়ে গেছি। এই যে মানবাধিকার, গণতন্ত্র, গুম এগুলা সব ভাঁওতাবাজি। বিভিন্ন দেশেই মানুষ হারিয়ে যায় আবার ফিরে আসে। তারা বলে আমাদের দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হয়। অথচ আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখে না। নির্বাচন নিয়ে সংলাপের বিষয়ে ড. মোমেন বলেন, কার সঙ্গে সংলাপ করব? যুক্তরাষ্ট্রে কী ডেমোক্রেট আর রিপাবলিকানরা সংলাপ করে। এগুলো অবান্তর কথা। আমরা আমাদের দেশের নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন করব। বাংলাদেশ বিষয়ে রাশিয়ার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের বক্তব্য। আমার কিছু বলার নাই।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম