ঢাকা ০৬ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় নির্বাচনে সরব চিতলমারী: সমাজসেবার ব্রত নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আনিস সোনাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম ও নারী হেনস্থার অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের স্ত্রীর ২ ‎সঞ্চয় হিসাব অবরুদ্ধ দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা ও ভাতিজা নিহত বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গর্ভনর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ইবি শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা ঈদের ছুটি বাড়ল সচিবালয়ে নিজ কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসি কমিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৫ দলীয় জোটের প্রবাস সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন মওলানা ভাসানী

#

০৯ এপ্রিল, ২০২৪,  10:23 PM

news image

০৯ এপ্রিল ২০২৪, মঙ্গলবার, বেলা ৩.৩০ ঘটিকা মতিঝিলস্থ ওয়াবদা মসজিদে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর স্মৃতি চারণে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্বাধীনতা পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ। প্রধান আলোচক ছিলেন নিউক্লিয়াসের সদস্য কাজী আরেফের কনিষ্ঠ ভ্রাতা কাজী মাসুদ আহমেদ, সভাপতি, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশন। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল। সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) সভাপতি স্বপন কুমার সাহা। সঞ্চালনা করেন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) মহাসচিব হামিদা খাতুন সেলী। আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাসদ ঢাকা মহানগর  দক্ষিনের  যুগ্মসাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, আওয়ামী লীগ নেতা  তাজুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সভাপতি মুশফিকুর রহমান মিন্টু, এডভোকেট মাহাবুবুল  আলম দুলাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ভারতে প্রভাস সরকারের ৫ দলীয় জোট আওয়ামী লীগ, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী), ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফর), কমরেড মনি সিংহ, এ্যাডভোকেট মনরঞ্জন ধর (কংগ্রেস)। প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন শতাব্দীর গণতন্ত্রের মহানায়ক মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী। সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার সাহা তার বক্তব্যে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন প্রবাস সরকারের প্রধান উপদেষ্ট ছিলেন, তাকে পাঠ্যপুস্তকে ও সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী দীর্ঘ ২৩ বছর পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠির সঙ্গে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু একইসঙ্গে রাজপথে লড়াই করেন। বক্তব্য শেষে তিনি দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানান।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম