NL24 News
১৯ মার্চ, ২০২৬, 12:19 PM
স্বাধীন বাংলার জনগণের প্রত্যাশা পূর্ণ হোক
-কে হোসাইন-
পাকিস্থান বাদে বিশ্বের প্রতিটি দেশের স্বাধীনতা বহু দেশপ্রেমী ছাত্র জনতা ও নেতা-কর্মীদের জীবন হানি এবং আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে। যা দলমত নিবিশেষে চিরকাল সম্মানের জায়গায় যতনে রাখা উচিত বলে মনেকরি। তেমনি আমাদের এই ভূখণ্ড ও স্বাধীনতা যাদের জন্য পেয়েছি তাদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ থাকব।
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের অসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমান, যার আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল, যুদ্ধকালীন সময়ে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী এবং এ. এইচ. এম কামারুজ্জামান ছিলেন প্রথম সারির রাজনৈতিক নেতা। তাদের সহযোগী যোদ্ধা জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী (মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি), মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর কে. এম. শফিউল্লাহ, মেজর খালেদ মোশাররফ ও দেশপ্ৰেমী সকল সেনা, পুলিশ, সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, #নেতা, কর্মী, সমর্থক এবং একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগ এর প্রতিনিধিত্বে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। যা আমাদের গর্বের বিষয় হওয়া বাঞ্চনীয়।
কিন্তু, স্বাধীনাত পর আওয়ামীলীগ বারবার ক্ষমতা পেয়ে দলটির নেতাকর্মীরা যেসকল নগ্ন কর্মকান্ড করেছে সেটা এই জাতিকে আশাহত করেছে। বিগত আওমীলীগ সরকার আমলে এদেশের ভিন্নমত ও দরিদ্র জনগণ যতটা নির্যাতিত হয়েছে তা সত্যি দলের আদর্শ ও নীতি বহির্ভুত এবং ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। আর এর দায় দলের সভাপতি শেখ হাসিনা উপরেই বর্তায়। দলটির কর্মকান্ড দেখে মনেহয়েছে নেতাকর্মীদের ও পুলিশবানীকে লেলিয়ে দিয়ে এতিম কন্যা তার বাবার হত্যার প্রতিশোধ পুরো জাতির উপর নিয়েছেন। মানসিক আঘাত করেছেন দলের দেশপ্রেমী নেতাকর্মীদের, যারা দেশের স্বার্থে রাজনীতি করেন নিজের ও পরিবারের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে।
যে কারণে আজ সববৃহৎ জনগোষ্ঠী সমর্থিত দলটি প্রকৃত নেতাকর্মী হারিয়ে ফেলেছ! সাংগঠনিক বলিষ্ঠতা শূন্যের কোঠায়! দলটির ভবিষৎ বেঁচে থাকা একমাত্র সৃষ্টিকর্তা বলতে পারবেন।
তবে নাগরিক হিসেবে আমি বলবো আওমীলীগ একটি দায় দায়িত্বহীন পলাতক দল হিসেবে কলংকের বোঝনিয়ে বেঁচে থাকবে। যদি স্বাধীনতার যুদ্ধের সাথে দলটি সম্প্রিক্ততা না থাকতো তাহলে হয়তো আজ এর নাম নিশানা কিছুই থাকতোনা!
যাই হোক, আল্লাহর অশেষ মেরবানীতে এই দেশ ও জাতি মুক্তি পেয়েছে। বর্তমান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমান এর সরকার স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার তাই এই সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক।
জানি জনগণের সব আশা সম্পূর্ণ করার মতো আর্থিক সক্ষমতা সরকারের নেই। কারণ, বিগত দুটি প্রতারক ও লুটেরা সরকার এই দেশ চালিয়ে গেছে এবং জনগণের ঘাড়ে উঠিয়েছে বিরাট ঋণের বোঝা!
তবে জনগণের প্রয়োজনে সুশৃঙ্খল পরিবেশ ও নিরাপত্তা দেয়ার মতো সক্ষমতা এই সরকার ও সরকার দল বিএনপির আছে। আর সেটা অসম্ভব নয়, যদি দলটির নেতাকর্মীরা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমান এর প্রকৃত অনুসারী হয়ে সৎ জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করে।
আমরা বিশ্বাস করতে চাই প্রকৃত স্বাধীনতার পক্ষের দলই এই দেশ ও জনগণের প্রকৃত বন্ধু। যে কারণে প্রত্যাশা রইলো সুজলাসফলা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি #বাংলাদেশ শান্তিতে দীর্ঘস্থায়ী হোক, আমিন!