ঢাকা ৩১ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসকে বিকৃত করবে না: তথ্যমন্ত্রী পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ফায়ার সার্ভিসের নতুন পরিচালক মাহমুদুল হাসান সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের ইরান যুদ্ধের কারণে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে তেলের দাম দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি'র মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ রাজধানীতে স্কুলকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঝালকাঠিতে জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির ‘খটক মাছ’, বিক্রি আড়াই লাখ টাকায়

সাবরিনার প্রতারণার মামলা ২৩ মের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ মার্চ, ২০২২,  2:40 PM

news image

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলার বিচারকাজ ২৩ মে’র মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ না হলে সাবরিনার জামিন বিবেচনা করতে বলেছেন আদালত। মঙ্গলবার (৮ মার্চ) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ সাবরিনার জামিন বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে এ রায় দেন। আদালতে ডা. সাবরিনার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. নুর উস-সাদিক। গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর করোনার ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তার জেকেজি হেলথকেয়ারের ডা. সাবরিনা শারমিন হোসেনকে জামিন দিতে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেন ডা. সাবরিনা ও তার স্বামীর প্রতিষ্ঠান জেকেজি হেলথকেয়ার। এসব রিপোর্টের বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালের ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলা হয়।  এরপর ৫ আগস্ট এ মামলায় ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী। ২০২০ সালের ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফুল চৌধুরী, সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, জেকেজি হেলথকেয়ারের নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইন্সেসের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা ও বিপ্লব দাস। তারা সবাই কারাগারে আছেন। ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালতে মামলাটি বিচারাধীন। ইতোমধ্যে মামলাটিতে ২৩ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। আগামি ২২ মার্চ মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য রয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম