ঢাকা ২৮ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারাল আরও ৫ শিশু নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ২৮৯ দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবো: রাষ্ট্রপতি বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে বাংলাদেশ ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বিরোধী দলের সহযোগিতা চাইলেন চিফ হুইপ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সাপের হানা মুগ্ধ-সিদ্ধার্থই হত্যাকারী, ছাদে হত্যা করা হয় তিনজনকে: পুলিশ এক ট্রলারে ৮০ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো ২০ লাখ টাকায় নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে চীনের সহযোগিতা বাড়বে: এলজিআরডি মন্ত্রী ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস

রংপুর চিড়িয়াখানার একমাত্র বাঘিনীর মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  8:30 PM

news image

রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানার একমাত্র বাঘিনী ‘শাওন’ মারা গেছে। শুক্রবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে খাঁচাবন্দি থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ফলে এখন বাঘ শূন্য রংপুর চিড়িয়াখানা। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বার্ধক্যজনিত কারণে বাঘিনী মারা গেছে। শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের পর চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর আম্বর আলী তালুকদার বার্ধক্যজনিত কারণে শাওনের মৃত্যু হয়েছে দাবি করে জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাঘিনীটি মারা গেলে ওই রাতেই ময়নাতদন্ত শেষে চিড়িয়াখানার ভেতর পরিবেশসম্মতভাবে সেটিকে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন,

বেঙ্গল টাইগারটির বয়স বেশি হয়েছিল। বাঘ সাধারণত ১৫ থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত বাঁচে। সে অনুযায়ী বার্ধক্যের কারণে বাঘিনীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতেই ময়নাতদন্ত শেষে চিড়িয়াখানাতেই পরিবেশসম্মতভাবে বাঘিনীকে মাটিতে পোঁতা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারি এই চিড়িয়াখানায় একটি মাত্র বাঘিনী ছিল। ২০০৩ সালের ৩০ জুন শাওন নামে এই বাঘিনীর জন্ম হয়েছিল ঢাকার মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায়। সে হিসাবে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ১৮ বছর ৭ মাস। ২০১০ সাল থেকে রংপুর চিড়িয়াখানায় তাকে সঙ্গীহীনভাবে খাঁচাবন্দী রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত তাকে সুস্থ-সবলই দেখা গেছে।   এর আগে গত এক মাসের মধ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে একটি ১ টি বাঘ, ১১টি জেব্রা এবং একটি সিংহীর মৃত্যু হয়। দেশে দুটি সরকারি চিড়িয়াখানার মধ্যে রংপুর একটি। প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে রংপুর নগরীর হনুমানতলা এলাকায় ১৯৮৯ সালে রংপুর চিড়িয়াখানাটি গড়ে ওঠে। এটি দর্শনার্থীদের জন্য ১৯৯২ সালে খুলে দেওয়া হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম