ঢাকা ০৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় নির্বাচনে সরব চিতলমারী: সমাজসেবার ব্রত নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আনিস সোনাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম ও নারী হেনস্থার অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের স্ত্রীর ২ ‎সঞ্চয় হিসাব অবরুদ্ধ দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা ও ভাতিজা নিহত বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গর্ভনর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ইবি শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা ঈদের ছুটি বাড়ল সচিবালয়ে নিজ কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসি কমিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

মাশরাফিকে নিয়ে ক্রিকট্র্যাকারের করা প্রতিবেদন উধাও

#

ক্রীড়া প্রতিবেদক

০১ নভেম্বর, ২০২২,  12:30 PM

news image

বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাকে নিয়ে ভারতের ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকট্র্যাকারের প্রকাশিত প্রতিবেদনটি আর দেখা যাচ্ছে না। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয় সাবেক অধিনায়ক মাশরাফির বর্তমান সম্পদের মূল্য ৫১০ কোটি টাকা। সম্প্রতি ক্রিকট্র্যাকার ‘টপ টেন রিচেস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেটার্স’ নামক শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেটি নিয়ে দেশের কিছু সংবাদমাধ্যমও সে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। পরবর্তীতে গতরাতে মাশরাফি এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। মাশরাফি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘ভিনদেশী কোনো হাবিজাবি স্বস্তা ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ তাদের মনগড়া যা ইচ্ছা লিখতেই পারে। সেসবকে পাত্তা দেওয়ার কিছু নেই।

কিন্তু তাদেরকে সূত্র ধরে নিয়ে যখন আমাদের দেশের নানা ওয়েবসাইট যা ইচ্ছা তাই লিখে দেয়, তখন দুঃখ লাগে বটে ! তিনি আরও লেখেন, দেশের একজন মানুষকে নিয়ে লেখা হচ্ছে, আপনারা চাইলেই তো খোঁজ-খবর নিতে পারেন। তা না করে উল্টো তাদের উদ্ভট নিউজের সূত্র ধরে আপনারা নিউজ করছেন। সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতার ন্যূনতম চর্চা না হয় করলেন না, অন্তত নিজেদের এতটা স্বস্তা হিসেবে তুলে ধরতেও তো বিবেকে নাড়া দেওয়া উচিত...!’ গত ২৩ অক্টোবর এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে ক্রিকট্র্যাকার। যেখানে দাবি করা হয়েছে বাংলাদেশের শীর্ষ ধনী ক্রিকেটার হলেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুতর্জা। যেখানে তার সম্পদের পরিমাণ দেয়া হয় ৫১০ কোটি টাকা। মাশরাফির পরেই ৪০৭ কোটি টাকা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন সাকিব আল হাসান। এরপর যথাক্রমে ছিলেন মুশফিকুর রহিম, তামিম ইকবাল, লিটন দাস, মোস্তাফিজুর রহমান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন ও মুমিনুল হকরা।  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ প্রতিবেদনের সূত্র দিয়ে নেতিবাচক রিপোর্টের শিকার হন নড়াইল এক্সপ্রেস। এরপর ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হয় মাত্র ৪ বছরের ব্যবধানে ৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা থেকে ৫১০ কোটি টাকার সম্পদের মালিক হয়েছেন মাশরাফি। মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) ক্রিকট্র্যাকার ওয়েবসাইটে গিয়ে দেখা যায় বাংলাদেশের ধনী ক্রিকেটারদের নিয়ে কথিত সেই প্রতিবেদনটি আর দেখা যাচ্ছে না। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম