ঢাকা ২৮ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ‘খারাপের চেয়ে খারাপ’ অপরাধীদের তালিকায় ১০ বাংলাদেশি কুয়েত বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা, রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, মৃত ১ স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক ৪ দিনের সফরে পাবনা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ আর নেই পুলিশকে আগের পোশাকে ফেরাতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত

ফেসবুকে ৬ মাসের প্রেম, কলেজছাত্রকে বিয়ে করলেন ১৮ বছরের বড় শিক্ষিকা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

৩১ জুলাই, ২০২২,  3:10 PM

news image

মামুনের বয়স ২২ এবং খাইরুন নাহারের ৪০। কেবল বয়সের ব্যবধান নয় একজন শিক্ষার্থী, একজন শিক্ষক। কিন্তু বয়স বা সম্পর্ক কোনোটিই তাদের প্রেমে বাঁধা হতে পারেনি! ৬ মাস প্রেমের পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন দুজন। নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার খুবজীপুর এম হক ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোছা. খাইরুন নাহার। প্রথমে বিয়ে হয়েছিল রাজশাহীর বাঘায়। সেখানে তার এক সন্তানও রয়েছে। তবে পারিবারিক কলহে সে সংসার বেশিদিন টেকেনি। তারপর কেটে যায় অনেক দিন। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় ২২ বছরের যুবক মামুনের সঙ্গে। মামুনের বাড়ি একই উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের পাটপাড়া গ্রামে। তিনি নাটোর এন এস সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। ফেসবুকে ২০২১ সালের ২৪ জুন তাদের প্রথম পরিচয়। তারপর গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। তারপর ২০২১ সালের ১২ ডিসেম্বরে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ হন। সপ্তাহ খানেক আগে তাদের বিয়ের বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। বিয়ের পর তারা নাটোর শহরের একটি ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন। খাইরুন নাহার বলেন, ‘প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। আত্মহত্যা করারও সিদ্ধান্ত নেই। সে সময় ফেসবুকে পরিচয় হয় মামুনের সঙ্গে। মামুন আমার খারাপ সময় পাশে থেকে উৎসাহ দিয়েছে এবং নতুন করে বেঁচে থাকার স্বপ্ন দেখিয়েছে। পরে দুজন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। বিয়ের পর মামুনের পরিবার মেনে নিলেও আমার পরিবার মেনে নেয়নি।’মামুন বলেন, ‘মন্তব্য কখনও গন্তব্য ঠেকাতে পারে না। কে কি বললো সেগুলো মাথায় না নিয়ে নিজেদের মতো সংসার গুছিয়ে নিয়ে জীবন শুরু করেছি। সকলের কাছে দোয়া চাই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম