ঢাকা ১৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকার, প্রিন্সিপাল গ্রেপ্তার ডিএসসিসির এক নম্বর অগ্রাধিকার বর্জ্য অপসারন জনগণের অর্থ পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী হাম ও উপসর্গে একদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু দেশের জনসংখ্যাকে জনসম্পদে পরিণত করতে পারেন শিক্ষকেরা: শিক্ষামন্ত্রী হাদি হত্যা মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ২৮ জুন জনগণের টাকা পাচার হতে দেয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী দেশে প্রথমবারের মতো ‘ফ্রি ট্রেড জোন’ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে সরকার ফ্যাসিস্ট আমলের লুটপাটে ভেঙে পড়া স্বাস্থ্যসেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিগারেট-মদের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মিছিল দেখে ‘ভাষা হারিয়েছেন’ আইনমন্ত্রী

পি কে হালদারসহ বাকিদের ফের ১৪ দিনের কারদণ্ড

#

০৭ জুন, ২০২২,  2:01 PM

news image

বাংলাদেশ থেকে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া পি কে হালদারসহ ছয় অভিযুক্তকে ফের ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার (৭ জুন) বিশেষ সিবিআই আদালত এ রায় দেন। আগামী ২১ জুন পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কারাগারে থাকা অবস্থায় পি কে-কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। জিজ্ঞাসাবাদের দেই বয়ান রেকর্ডও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের হদিস পায় ইডি। আদালতে ইডি জানায়, পি কে হালদারের ৪৪টি ব্যাংক একাউন্ট আছে যেখানে প্রায় ৬০কোটি টাকা ক্যাশ রয়েছে। এছাড়াও মালয়েশিয়াতে ৭টি ফ্লাটসহ প্রায় ৪০টি সম্পত্তির হদিস পেয়েছে ইডি।  পি কে হালদারসহ বাকি অভিযুক্তরা হলেন,

তার ভাই প্রাণেশ হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদার। গত ১৪ মে অশোকনগরসহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে এই ছয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এরপর দুই দফায় মোট ১৩ দিন রিমান্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। এসময় নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের হদিস পায় ইডি। ১৩ দিনের ইডি রিমান্ড শেষে গত ২৭ মে আদালত তাদের ১১ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। এই পর্বে কারাগার গিয়েও পি কে’কে জিজ্ঞাসাবাদ করে বলে জানা গেছে। সেইসঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের ওই বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে, যদিও তদন্তের স্বার্থে ইডি বা কারাগার কর্তৃপক্ষ কিছুই বলতে রাজি হয়নি। পি কে’কে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডির কর্মকর্তারা ইতোমধ্যেই জানতে পেরেছে যে, শুধু অশোকনগর বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, পি কে হালদার এবং তার সহযোগীরা পুরো ভারতে প্রতারণার জাল ছড়িয়েছে। তাদেরকে জেরা করে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তিরও হদিস পাওয়া গেছে। অর্থ আত্মসাতের একটা বিশাল অংশ বিনিয়োগ করা হয়েছে আবাসন খাতে। কলকাতা এবং তার উপকণ্ঠে এমন একাধিক সংস্থার খোঁজ পাওয়া গেছে যেগুলো পিকে হালদার বা তার সহযোগীদের হাতেই গড়ে উঠেছে। যদিও সেই আয়ের উৎস পি কে হালদার বা তার সহযোগীরা কেউই দেখাতে পারিনি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম