ঢাকা ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক: ভেরিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের শাহবাগে অবস্থান রাজস্ব বাড়াতে এনবিআরের ‘থ্রি-আর’ পরিকল্পনা আইডিয়াল ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ শিগগিরই জ্বালানি সংকট কেটে যাবে: জ্বালানিমন্ত্রী ‘এআই রোবট কচ্ছপ’ বানিয়ে তাক লাগাল কিশোর হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু রাড্ডায় ভাঙচুরে শাহ আলী থানার ওসির দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু নোবেল পুরস্কার ঘোষণা প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হাদি হত্যা: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন ৩ নভেম্বর

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৫

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  5:32 PM

news image

তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ অঞ্চলে আঘাত হানা ভূমিকম্পে সিরিয়া ও তুরস্কে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে তুরস্কে নিহত হয়েছেন ৭৬ জন এবং সিরিয়ায় নিহত হয়েছেন ৯৯ জন। খবর আনাদলু এজেন্সি ও এবিসি নিউজের। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পটি তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে। অঞ্চলটি সিরিয়ার সীমান্তবর্তী। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্কের সাতটি প্রদেশের অন্তত দশটি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শহরগুলো হলো গাজিয়ান্তেপ, কাহরামানমারাস, হাতে, ওসমানিয়া, আদিয়ামান, মালাতিয়া, সানলিউরফা, দিয়ারবাকির এবং কিলিস। এসব শহরে এখন পর্যন্ত ৭৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সিরিয়ার আলেপ্পো, হামা এবং লাকাতিয়া শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভূমিকম্পে। সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, এই তিনটি শহরে এখনো পর্যন্ত ৯৯ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার সহযোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিহত হয়েছেন ৪২ জন এবং বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিহত হয়েছেন আরও ২০ জন। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকার একটি হাসপাতালের চিকিৎসক মুহিব ক্বাদার বলেছেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি নিহতের সংখ্যা শতাধিক। এই মুহূর্তে আমরা খুবই চাপের মধ্যে আছি।’ এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, তুরস্ক ও সিরিয়া ছাড়াও লেবানন এবং সাইপ্রাসেও এর ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। এমনকি মিসরের রাজধানী কায়রোতেও এর তীব্রতা টের পাওয়া গেছে। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম