ঢাকা ১৫ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে ঢাকা বোর্ডের সামনে শিক্ষার্থীদের অবস্থান পদার্থবিজ্ঞানের ভুল প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাবে পরীক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী-প্রেমিকসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন ‘চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে পরীক্ষা চলবে’ ১৬ জুলাই খুলে দেওয়া হবে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার সরকার চায় শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসুক : প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জুনে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৬৩ জনের মৃত্যু ১৫ মাস বয়সী শিশুদের ১ আগস্ট থেকে টাইফয়েডের টিকা দেয়া হবে

তুরস্ক-সিরিয়ায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭৫

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  11:32 AM

news image

তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ অঞ্চলে আঘাত হানা ভূমিকম্পে সিরিয়া ও তুরস্কে অন্তত ১৭৫ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে তুরস্কে নিহত হয়েছেন ৭৬ জন এবং সিরিয়ায় নিহত হয়েছেন ৯৯ জন। খবর আনাদলু এজেন্সি ও এবিসি নিউজের। সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ভূমিকম্পটি তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় গাজিয়ান্তেপ প্রদেশের নূরদাগি শহরের পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে। অঞ্চলটি সিরিয়ার সীমান্তবর্তী। তুরস্কের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আনাদলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে তুরস্কের সাতটি প্রদেশের অন্তত দশটি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

শহরগুলো হলো গাজিয়ান্তেপ, কাহরামানমারাস, হাতে, ওসমানিয়া, আদিয়ামান, মালাতিয়া, সানলিউরফা, দিয়ারবাকির এবং কিলিস। এসব শহরে এখন পর্যন্ত ৭৬ জন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া সিরিয়ার আলেপ্পো, হামা এবং লাকাতিয়া শহরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ভূমিকম্পে। সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, এই তিনটি শহরে এখনো পর্যন্ত ৯৯ জন নিহত হয়েছেন। সিরিয়ার সহযোগী স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকার নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিহত হয়েছেন ৪২ জন এবং বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিহত হয়েছেন আরও ২০ জন। বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকার একটি হাসপাতালের চিকিৎসক মুহিব ক্বাদার বলেছেন, ‘আমরা আশঙ্কা করছি নিহতের সংখ্যা শতাধিক। এই মুহূর্তে আমরা খুবই চাপের মধ্যে আছি।’ এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে, তুরস্ক ও সিরিয়া ছাড়াও লেবানন এবং সাইপ্রাসেও এর ঝাঁকুনি অনুভূত হয়েছে। এমনকি মিসরের রাজধানী কায়রোতেও এর তীব্রতা টের পাওয়া গেছে। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম