ঢাকা ০৬ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিমান বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নওগাঁয় যানবাহনের কালো ধোঁয়া পরীক্ষা, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি জামদানি শাড়ি ও খোঁপায় বেলি ফুলের সাজে নজর কাড়লেন মায়াবতী পূর্ণিমা বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা

ডাক বিভাগের বেদখল সম্পদ শিগগিরই পুনরুদ্ধার করা হবে: উপদেষ্টা ফয়েজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ অক্টোবর, ২০২৫,  9:37 PM

news image

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব   ডাক বিভাগের বেদখল সম্পদ শিগগিরই পুনরুদ্ধার করা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত) ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক বিভাগের সভাকক্ষে বিশ্ব ডাক দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘দায়িত্ব গ্রহণের পর আমরা ডাক বিভাগের মোট সম্পদ এবং বেদখল সম্পদের তালিকা প্রস্তুত করেছি। খুব শিগগিরই বিভাগীয় কমিশনার ও ডিসিদের সমন্বয়ে বেদখল সম্পদ পুনরুদ্ধারের কার্যক্রম শুরু করা হবে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান ঠিকানা ব্যবস্থাপনা কাঠামো ডিজিটাল অর্থনীতির উপযোগী নয়। তাই বেসরকারি কুরিয়ার সার্ভিসের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অ্যাড্রেস ম্যানেজমেন্টকে ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে এরিয়া কোড, স্ট্রিট কোড ও হাউস কোড সমন্বিত থাকবে এবং ঠিকানার সঙ্গে জিও-ফেন্সিং যুক্ত করা হবে।’   প্রধান উপদেষ্টার এ বিশেষ সহকারী বলেন, ‘যেহেতু ঠিকানা ব্যবস্থাপনার সঙ্গে নাগরিকদের ব্যক্তিগত তথ্য জড়িত, তাই ডাক ও কুরিয়ার আইন হালনাগাদ করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। আশা করছি, আগামী নভেম্বরের মধ্যেই সংশোধিত আইন মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করা সম্ভব হবে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমানে মেইল ও পার্সেল ট্র্যাকিং সিস্টেমের আওতায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পণ্য ট্র্যাক করা সম্ভব হচ্ছে। এই ট্র্যাকিং সিস্টেমকে আরও নির্ভরযোগ্য করতে ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের মান উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে। এতে করে ট্র্যাকিং প্রক্রিয়া প্রায় শতভাগ কার্যকর হবে।’  ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘ই-কমার্সের সঙ্গে ডাক বিভাগকে সমন্বিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে শহর ও গ্রামে সমানভাবে ডাকসেবা পৌঁছায়। পাশাপাশি ই-কমার্সের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনার কাজও চলছে।’ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আব্দুন নাসের খান। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এম শাহাবুদ্দিন, মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।  -বাসস

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম