ঢাকা ২২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ভরিতে সোনার দাম বাড়ল ৫৪৮২ টাকা সুলিভানকে চড় মেরে শাস্তি পেলেন মেসি শেষ মুহূর্তে ভেস্তে গেল আলোচনা, ফের শুরু যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা বাণিজ্যযুদ্ধ সিলেটে হামে আরও একজনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ৯১ বরেন্দ্র এক্সপ্রেসের স্প্রিং ও বডি ভেঙে ট্রেন চলাচল বন্ধ, দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন টানা ২৫ মৌসুমে গোল করে রোনালদোর রেকর্ড কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড : ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আজ সুইডেনের স্কুলে ঢুকে হামলায় নিহত ১ ৬৪ রানে অলআউট বাংলাদেশ

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড : ৬ বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হচ্ছে আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ আগস্ট, ২০২৬,  11:40 AM

news image

কলকাতার নিউমার্কেটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ আজ শনিবার দেশে আনা হচ্ছে। এর মধ্যে একজনের মরদেহ সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলসীমান্ত দিয়ে এবং বাকি পাঁচজনের মরদেহ বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে আনা হবে।


শনিবার সকালে কলকাতার পার্ক সার্কাসে অবস্থিত পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে সাতক্ষীরার বাসিন্দা এস এম আলিমুজ্জামানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টার পর অ্যাম্বুলেন্সটি কলকাতা ছাড়ে। সকাল ১০টার দিকে মরদেহটি ভোমরা স্থলসীমান্তে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।


অন্যদিকে, বাকি পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সও স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে পিস ওয়ার্ল্ড হিমঘর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা। সড়কপথে বেনাপোল স্থলসীমান্ত দিয়ে মরদেহগুলো দেশে ফেরত আনা হবে। 


তারা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা দেবাশীষ দত্ত, তার স্ত্রী আফসানা শারমীন, তাদের তিন বছর বয়সী সন্তান শর্ণশীষ দত্ত, তার শ্বশুর মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহামেদ বাবু।


এর আগে, শুক্রবার গভীর রাতে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে সৎকার করা হয়েছে সাতক্ষীরার বাসিন্দা রেবতী সরকারের মরদেহ। ফলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে ফিরছে, আর একজনের সৎকার কলকাতাতেই সম্পন্ন হয়েছে।


উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার শিখা ইন নামের ওই হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে সাত বাংলাদেশিসহ মোট নয়জনের মৃত্যু হয়। নিহত দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান ও শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগরওয়াল।


এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কলকাতা পুলিশ। তাকে ধরতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালানো হলেও এখনো তার সন্ধান মেলেনি। ঘটনার পরদিন থেকেই তার মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।


অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা, মার্কুইস স্ট্রিট, মির্জা গালিব স্ট্রিট ও এসএন ব্যানার্জি রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে আবাসিক হোটেল, লজ ও অতিথিশালাসহ প্রায় ৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম