ঢাকা ০৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন নিজেদের করা আইনেই আওয়ামী লীগের বিচার হবে : চিফ প্রসিকিউটর চাঁদাদাবী ও মানহানির দায়ে ফেস দ্যা পিপলের সম্পাদক ও প্রকাশকসহ দুই জনের বিরুদ্ধে মামলা বিশেষায়িত বাহিনীগুলোকে আরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী হবিগঞ্জ ডিবির অভিযানে ২৮ কেজি গাঁজা ও মাইক্রোবাস উদ্ধার, আটক ১ দেশে ঢোকানো হচ্ছে বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণী, বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ সাতক্ষীরায় দুই দফা দাবিতে শাখা ডাকঘর কর্মচারীদের মানববন্ধন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩০ জনের মৃত্যু সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ

কলকাতায় অ্যাডিনোভাইরাসে আরেক শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  11:51 AM

news image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অ্যাডিনোভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নয় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে কলকাতার বিধান চন্দ্র রায় (বি সি রায়) শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশু মারা যায়। হাসপাতালের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয় অ্যাডিনোভাইরাসের। চলতি মাসের ২ তারিখে হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুরের বাসিন্দা স্বপন রায় এবং লক্ষ্মী রায়ের ৯ মাসের শিশুকন্যাকে জ্বর নিয়ে কলকাতার ফুলবাগানের বি সি রায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১১ ফেব্রুয়ারি সুস্থ হলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ফেরার পর আবারও তার জ্বর আসে। এবার তার জ্বর কিছুতেই কমছিল না। ফলে আবারও তাকে বি সি রায় হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু জ্বর না কমায় ১৯ ফেব্রুয়ারি আবারও তাকে কলকাতার ফুলবাগানের বিধান চন্দ্র রায় (বি সি রায়) শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির বাবা স্বপন রায় বলেন, শনিবার সকালে আমার মেয়ের প্রচুর জ্বর আসে। ওইসময় তার আইসিইউ দরকার ছিল। তবে হাসপাতালে তখন আইসিইউ বেড খালি ছিল না। আমি অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া কথা বলি, কিন্তু চিকিৎসকরা আমার কোনো কথা শুনতে চাননি। শিশুটির মা লক্ষ্মী রায় অভিযোগ করেন, চিকিৎসকরা ঠিকমতো চিকিৎসা করেননি বলেই শিশুটি মারা যায়। এর আগে চলতি মাসে একাধিক শিশুর মৃত্যুর কারণ হিসেবে অ্যাডিনোভাইরাসকে দায়ী করা হচ্ছে। তবে কলকাতায় এই ভাইরাস এখন পর্যন্ত কতজনের প্রাণ হারিয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম