ঢাকা ১৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মন্ত্রিসভায় রদবদলের গুঞ্জন, আলোচনায় সিনিয়র নেতা ও টেকনোক্র্যাট জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে দুই বছর সময় লাগবে: বাণিজ্যমন্ত্রী পে-স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন কাটছাঁটের শঙ্কা হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু শিক্ষকদের অবসরের টাকা পেতে অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী ডারউইন টেস্ট: ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ দাম কমার পরদিনই স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ২১৫৮ টাকা কালিয়াকৈরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার যেভাবে গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে 'এমপি মোশাররফকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে' উপকূলের লাখো মানুষের দাবী

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

#

০৬ জুলাই, ২০২২,  4:15 PM

news image

বন্যার কারণে পিছিয়ে গিয়েছিল এসএসএসি ও সমমানের পরীক্ষা। তাই স্বাভাবিকভাবেই পিছিয়ে যায় এইচএসসি পরীক্ষাও। তবে কবে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে তার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার (৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা কবে হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেছেন, দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত করা সম্ভব নয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানোর দুই সপ্তাহ পর সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। বন্যাকবলিত অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন,

আমরা বন্যার খোঁজ রাখছি নিয়মিত। শহর থেকে হয়ত পানি নেমে গেছে, তবে গ্রাম পর্যায়ে কোথাও কোথাও পানি আছে। বন্যায় আমাদের অনেক শিক্ষার্থী বই হারিয়েছি। আমরা নতুন করে এটা খোঁজ নিচ্ছি, কতজন শিক্ষার্থীর নতুন বই লাগবে। আমাদের কাছে প্রতি বছর স্টকে কিছু বই থাকে। কিন্তু এবার বন্যায় এত ক্ষতি হবে, সেটা আমাদের বিবেচনায় ছিল না। যদি প্রয়োজন হয়, আমরা বই ছাপিয়ে ফেলব। শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছে দেব। বই হাতে পৌঁছানোর পর অন্তত দুই সপ্তাহ তাদের সময় দিতে হবে। এরপর পরীক্ষা নিতে হবে। এদিকে দেশে আবারও বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। এমতাবস্থায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডা. দীপু মনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। সংক্রমণ অনেক বেড়েছে। টিকা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিন্তু করোনা বাড়লেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। আমাদের ১২ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকা দেয়া আছে। ১২ বছরের কম বয়সীদের দ্রুত টিকা দিতে পারলে হয়ত সেটির প্রয়োজন হবে না। আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না। বরং স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখার চেষ্টা করছি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম