ঢাকা ০৫ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হবিগঞ্জ ডিবির অভিযানে ২৮ কেজি গাঁজা ও মাইক্রোবাস উদ্ধার, আটক ১ দেশে ঢোকানো হচ্ছে বিষাক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রাণী, বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ সাতক্ষীরায় দুই দফা দাবিতে শাখা ডাকঘর কর্মচারীদের মানববন্ধন স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পাকিস্তানে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ৩০ জনের মৃত্যু সরকারি ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ সরকার সশস্ত্র বাহিনীকে চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের সঙ্গে সমতাভিত্তিক সম্পর্ক গড়তে চায় যুক্তরাষ্ট্র, বাণিজ্যে জোর পল্লী উন্নয়ন দিবস: স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্বপ্নের কারিগর উনাহির দুই পায়ে মরক্কোর নতুন ইতিহাস

আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের সেই কিশোরের জামিন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০১ আগস্ট, ২০২৪,  3:15 PM

news image

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী আলফি শাহরিয়ার মাহিমের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) ১২টা ৫০ মিনিটে শিশু আদালত-১ এর বিচারক মোস্তফা কামাল ১০০ টাকার বন্ডে শুনানি শেষে এই জামিন আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাহিমের আইনজীবী জোবায়দুল ইসলাম। তিনি বলেন, মামলাটি মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় ছিল। মাহিম শিশু হওয়ায় মামলা স্থানান্তর হয়েছে। এর আগে ৪ আগস্ট শুনানির দিন ছিল। কিন্তু আমরা আজ নতুন করে শুনানির জন্য আবেদন করেছি। আদালত শুনানি গ্রহণ করে জামিন মঞ্জুর করেছেন। আবু সাঈদ হত্যা মামলায় ১৬ বছরের সেই কিশোরের জামিন আবু সাঈদ হত্যা মামলার আসামি ১৬ বছরের কিশোর এর আগে বেরোবি শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় মাহিমকে কারাগারে পাঠান আদালত। ছোট ভাইয়ের কোনো খোঁজ না মেলায় বুধবার (৩১ জুলাই) আলফি শাহরিয়ারের বোন সানজানা আখতার স্নেহা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিলে বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপরই কিশোর শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। এর আগে আলফিকে আটকের বিষয়টি অগোচরেই থেকে যায় সংশ্লিষ্ট সবার। মাহিমের বাবা মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, পুলিশ কমিশনার আমাকে ডেকেছিলেন। আমাদের আশ্বস্ত করেছেন মাহিমকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তবে, ছেলের সঙ্গে কারাগার থেকে কথা বলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কমিশনার। কিন্তু সম্ভব হয়নি। তদন্তকারী কর্মকর্তা তাজহাট থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) জিল্লুর রহমান বলেন, ১৭ জুলাই আমাদের তাজহাট থানায় যখন আগুন দেয়, তখন মাহিম পিকেটিং করছিল। ওই সময় ঘটনাস্থলে আমাদের পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব, বিজিবির টিম ছিল। ওই সময় সে বিজিবির হাতে ধরা পড়ে।


logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম