ঢাকা ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পল্লবীতে দুই শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার শিশু আয়ানের মৃত্যু: দুই বছর পর অবশেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল দুর্নীতিবাজদের গলায় হাত দিয়ে লুটের টাকা উদ্ধার করা হবে: ডা. শফিকুর রহমান ভোটের দিন মেট্রোরেল চলবে নির্বাচনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনা স্পষ্ট করলেন উপ-প্রেস সচিব উপদেষ্টার গাড়ি আটকে চট্টগ্রাম বন্দরের সামনে আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভ স্বাধীনতা যুদ্ধে ভূমিকার জন্য জামায়াতকে ক্ষমা চাইতে বললেন সালাহউদ্দিন আশুলিয়ায় ৬ মরদেহ পোড়ানোয় সাবেক এমপি সাইফুলের মৃত্যুদণ্ড আশুলিয়া যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর মন্ডল কে অস্ত্রসহ আটক করেছ যৌথ বাহিনী নাইজেরিয়ায় দুই গ্রামে নিহত ১৬০, নিখোঁজ রাজা

আজ কবরীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

#

বিনোদন প্রতিবেদক

১৭ এপ্রিল, ২০২২,  10:54 AM

news image

বাংলার অন্যতম সেরা অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী। অসম্পূর্ণ অনেক কাজ, অনেক স্বপ্ন রেখেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন তিনি। আজ (১৭ এপ্রিল) তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। ঠিক বছর খানেক আগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় মারা যান কবরী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। তারপর একে একে সৃষ্টি করেছেন ইতিহাস। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’য়, ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বিনিময়’ ছবিগুলোতে নজর কাড়েন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অভিনয় দিয়ে মাতিয়ে রেখেছিলেন চলচ্চিত্রাঙ্গন, পেয়েছেন মানুষের শ্রদ্ধা-ভালোবাসা। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান কবরী।

সেখান থেকে পাড়ি জমান ভারতে। কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ কবরীর ক্যারিয়ারের উল্লেখযোগ্য সিনেমার একটি। নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে ‘রংবাজ’ সিনেমাটিও বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তবে ১৯৭৫ সালে নায়ক ফারুকের সঙ্গে ‘সুজন সখী’ ছাড়িয়ে যায় আগের সব জনপ্রিয়তাকে। ব্যবসায়িক দিক থেকে ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে সিনেমাটি এক মাইলফলক। ৫০ বছরের বেশি ক্যারিয়ারে রাজ্জাক, ফারুক, সোহেল রানা, উজ্জ্বল, জাফর ইকবাল ও বুলবুল আহমেদের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তবে রাজ্জাক-কবরী জুটি ছিলেন ঢাকাই সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় অভিনয়ের পাশাপাশি কবরী ছিলেন একজন পরিচালক ও প্রযোজক। সর্বশেষ সরকারি অনুদানের একটি সিনেমার নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ করে যেতে পারেননি। চলচ্চিত্রাঙ্গনের বাইরে  ২০০৮ সালে নারায়ণগঞ্জের একটি আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। প্রসঙ্গত, ১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল। বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল। ১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। তারপর টেলিভিশন ও সবশেষে সিনেমায়। কবরী বিয়ে করেন চিত্ত চৌধুরীকে। সেই সংসারে বিচ্ছেদের পর ১৯৭৮ সালে তিনি বিয়ে করেন সফিউদ্দীন সরোয়ারকে। ২০০৮ সালে তাদেরও বিচ্ছেদ হয়ে যায়। ব্যক্তিজীবনে তিনি পাঁচ সন্তানের মা।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম