ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মে মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫৮৬ জন মমেক হাসপাতালে হাম উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু ফিলিপাইনে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫৫, নিখোঁজ বহু কক্সবাজারে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ: ইংল্যান্ডের কাছে পাত্তাই পেল না শ্রীলঙ্কা ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পরিকল্পনা, অভিবাসীদের পাঠানো হবে আফ্রিকায় হজ শেষে দেশে ফিরলেন ৫৪৩২৩ হাজি, ৫০ জনের মৃত্যু হরমুজে ফের উত্তেজনা, একাধিক ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি মার্কিন বাহিনীর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ১৫ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফিরিয়ে নিল বিএসএফ যুদ্ধ অবসানের চুক্তি হলে খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালি: ইরান

‘৬ মাসে দেশজুড়ে নির্যাতনের শিকার দেড় হাজার নারী ও শিশু’

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ জুলাই, ২০২৩,  11:27 AM

news image

দেশে গত ছয় মাসে দেড় হাজারের বেশি নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে শুধু সদ্যসমাপ্ত জুনেই ২৬৫ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাওয়ায় নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা ও নির্যাতনের ভয়াবহতা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ ছাড়া অনেক ঘটনাই অপ্রকাশিত থেকে যায়। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এতে বলা হয়, গত ছয় মাসে শারীরিক-মানসিকসহ বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ১ হাজার ৫২০ নারী ও কন্যাশিশু। এর মধ্যে ২২৩ জন কন্যাশিশুসহ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৩২৬ জন। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৬০ জন। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ২১ কন্যাশিশুকে। শুধু সদ্যসমাপ্ত জুনে ২৬৫ জন নারী ও কন্যা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৩৩ জন কন্যাসহ ৫৩ জন। ৫ কন্যাসহ ১৩ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন, ৩ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত দেশে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৯২ জন নারী ও কন্যাশিশু। এর মধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ৯ হাজার ৮৫০ জন  নারী ও শিশু অধিকারকর্মী আইনজীবী সুরাইয়া পারভীন বলেন, নারী নির্যাতন সংক্রান্ত মামলায় ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমার আইন থাকলেও তা মানা হয় না। এমনকি অনেক পাবলিক প্রসিকিউটরও উদাসীন দেখান। থানা পুলিশ এবং বিচার প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীকেই নানানভাবে দোষারোপ করা হয়। ফলে ভুক্তভোগীর পরিবারের চাপেই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া হয়। তাই বেশিরভাগ সহিংসতার ঘটনা অপ্রকাশিত থেকে যায়। মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু বলেন, যথাযথ আইনের অভাবে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান ও সহিংসতার শিকার নারীরা ন্যায়বিচার পান না। তাই আইন সংস্কার জরুরি। মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা-নারীর মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অন্যতম প্রতিবন্ধক। নির্যাতনের বিরুদ্ধে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব পরিবর্তনের মাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করতে হবে। নারী নির্যাতন রোধে নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন পর্যালোচনা করতে হবে। ভুক্তভোগীদের সব ধরনের সহায়তা দিতে হবে। সূত্র : আরটিভি অনলাইন 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম