ঢাকা ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ মির্জা আব্বাস ও নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট হবে: আসিফ নজরুল ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে রুমিন ফারহানা এগিয়ে দীর্ঘ লাইনে ভোটারের ভিড় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু নারী ভোটারদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২, আহত ৩০ জাল ভোট দিলে যেসব শাস্তি হতে পারে জামায়াতের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান

‘বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি না থাকলে দেশ বহুদূর এগিয়ে যেত’

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৩,  12:33 PM

news image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি না থাকলে বাংলাদেশ আজ বহুদূর এগিয়ে যেত। বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ হওয়া বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এমন মন্তব্য করেন। হাছান মাহমুদ বলেন, অনেকে ভেবেছিল, বুদ্ধিজীবী হত্যার রায় হলেও তা বাস্তবায়ন হবে না। কিন্তু সকল রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেও যুদ্ধপরাধীদের বিচার হয়েছে, সামনেও হবে। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায় পাকিস্তান বাহিনী। মহান মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় নিশ্চিত হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে এ দেশের দোসর আলবদরের সহযোগিতায় বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী। ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে পাকিস্তানি বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস বাহিনীর সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তাদের বাসা থেকে তুলে এনে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করে। পরিকল্পিত গণহত্যাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দি অবস্থায়ও বুদ্ধিজীবীদের বিভিন্ন বধ্যভূমিতে নিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার দুদিন পর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ক্ষত-বিক্ষত ও বিকৃত লাশ রায়েরবাজার এবং মিরপুর বধ্যভূমিতে পাওয়া যায়। অনেকের লাশ শনাক্তও করা যায়নি। পাওয়া যায়নি বহু মরদেহ। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে পালিত হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। এবারও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করছে জাতি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে রাজধানীর মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। এ সময় বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। এসময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গার্ড অব অনার দেয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম