ঢাকা ২৪ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাতক্ষীরায় সাংবাদিকদের মাল্টিমিডিয়া, ফ্যাক্ট-চেক ও এআই বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু একযোগে ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের আদেশ বাতিল ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিজিবি মোতায়ন নীতিসহায়তা বাড়লে রফতানি আয় দেড়শ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে: বাণিজ্যমন্ত্রী বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত পবিত্র আশুরা ঘিরে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিএমপির আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হবে কিনা সে সিদ্ধান্ত দেবে ট্র্যাইব্যুনাল: ডা. জাহেদ তেলের দামের ভবিষ্যৎ এখন চীনের হাতে

১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি সারজিসের

#

০১ জানুয়ারি, ২০২৬,  3:43 PM

news image

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ দাবি জানান তিনি।  পোস্টে সারজিস আলম বলেন, ‘১ জানুয়ারি ২০২৬! ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর মধ্যে শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও রায় কার্যকর করতে হবে।’ উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে হামলার শিকার হন শরীফ ওসমান হাদি। মতিঝিল মসজিদ থেকে জুমার নামাজ শেষে প্রচারণা চালিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে আসা দুজন হাদিকে লক্ষ্য করে চলন্ত অবস্থায় গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে মারা যান তিনি। এ হত্যাকাণ্ডের ১৮ দিন পর রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে আসামিরা অবৈধ পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের মেঘালয় রাজ্যে প্রবেশ করেন। এছাড়াও এ ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ছয় জন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এবং চার জন সাক্ষী ১৬৪ ধারায় সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম