ঢাকা ১৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙ্গা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৮ সাভারে মা-ছেলেসহ ৩ ‘পেশাদার’ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ঢাকার আবাসিক ভবনে আগুন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যানি, এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন চকরিয়ায় সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি- এর চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত প্রভাতী ইন্সুরেন্স পিএলসি এর ৩০ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি : ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন নিষ্পত্তি করবে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

#

১৮ মার্চ, ২০২৬,  12:48 PM

news image

সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে ইরানের মিসাইল হামলায় আহত ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের প্রবাসী আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) সকালে নিহত আবদুল্লাহ আল মামুনের বাবা শহীদ সওদাগর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেন। নিহত আবদুল্লাহ আল মামুন গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নর ভরভরা গ্রামের শহীদ সওদাগরের ছেলে। নিহতের পরিবারের সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মার্চ (রোববার) ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পে মিসাইল বিস্ফোরণে মামুন গুরুতর আহত হয়। এরপর থেকে মামুন সৌদি আরবের আল খারিজ শহরের ডাক্তার সোলাইমান আল হাবিব হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সৌদি আরব সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে লাইফ সাপোর্টে থাকা মামুনকে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ হাসপাতাল মর্গে রয়েছে। নিহত মামুনের মামাতো ভাই শাওন মড়ল জানান, আমার ভাই মিসাইল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সে এক ছেলে সন্তানের জনক। আবদুল্লাহ আল মামুনের মৃত্যুতে তার পরিবার ও নিজ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্বজনরা। গত ৮ মার্চ ইফতারের আগ মুহূর্তে সৌদি আরবের আল খারিজ শহরে আল তোয়াইক বলদিয়া কোম্পানির একটি শ্রমিক ক্যাম্পেমিসাইল বিস্ফোরণে কিশোরগঞ্জের বাচ্চু মিয়া ও টাঙ্গাইলের মোশাররফ হোসেনের মৃত্যু হয় এবং মামুনসহ বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশি আহত হয়। হামলায় আহত মামুনের শরীরের ৭২ শতাংশ পুড়ে যায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম