ঢাকা ২৯ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচারে বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ‘খারাপের চেয়ে খারাপ’ অপরাধীদের তালিকায় ১০ বাংলাদেশি কুয়েত বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা, রাডার ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত পঞ্চগড়ে শিলাবৃষ্টি ও কালবৈশাখীতে লন্ডভন্ড ঘরবাড়ি, মৃত ১ স্পিকারের সহধর্মিণীর মৃত্যুতে জামায়াত আমিরের শোক ৪ দিনের সফরে পাবনা যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সহধর্মিণী দিলারা হাফিজ আর নেই পুলিশকে আগের পোশাকে ফেরাতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবার ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলা দেশের সব পেট্রোল পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত

সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার রায় আজ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ মে, ২০২৪,  10:33 AM

news image

নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হবে বৃহস্পতিবার (০৯ মে)। ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অরুনাভ চক্রবর্তীর আদালতে এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য রয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই আদালত রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন।   মামলার আসামিরা হলেন- ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, সেলিম খান, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী, তারিক সাঈদ মামুন, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন ওরফে বস লিটন, আদনান সিদ্দিকী ও ফারুক আব্বাসী। চলতি বছর ২৮ জানুয়ারি এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ৩৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্য নিয়েছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সাদিয়া আফরিন শিল্পী বলেন, মামলাটির বেশির ভাগ সাক্ষী মারা গেছেন। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনও আদালতে এসেছে। আদালতে যারা এসেছেন, তাদের সাক্ষ্যগ্রহণের মাধ্যমেই প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা হয়েছে। ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ১৭ নম্বর রোডের আবেদীন টাওয়ারে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সন্ত্রাসীদের গুলিতে মারা যান নায়ক সোহেল চৌধুরী। ওই ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী রাজধানীর গুলশান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। ওই বছরই এক আসামি মামলা বাতিলে হাইকোর্টে আবেদন আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৩ সাল থেকে হাইকোর্টের আদেশে মামলার বিচারকাজ স্থগিত ছিল।   ২০১৫ সালে সেই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হয়। তারও সাত বছর পর ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি বিচারিক আদালতে ফেরত এলে সাক্ষ্যগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।  

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম