ঢাকা ১৩ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে ষড়যন্ত্র: সার্বভৌমত্বের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার

সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিং পারফরম্যান্স মনোনয়নে শেখ মেহেদী

#

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  2:04 PM

news image

ইএসপিএনক্রিকইনফো অ্যাওয়ার্ড

ক্রিকেট ভিত্তিক পোর্টাল ইএসপিএনক্রিকইনফো প্রতি বছর আগের পঞ্জিকাবর্ষের ক্রিকেটে সেরা ব্যক্তিগত ব্যাটিং ও বোলিং পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার দিয়ে থাকে। সাবেক ক্রিকেটার, ভাষ্যকার এবং ইএসপিএনক্রিকইনফোর জ্যেষ্ঠ লেখকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বাধীন জুরি বোর্ড ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করে। আগের বিজয়ীদের মধ্যে ডেল স্টেইন, জসপ্রিত বুমরাহ, মেগ ল্যানিং, হারমানপ্রীত কৌর, বিরাট কোহলি, অ্যালিসা হিলি, বেন স্টোকস, সূর্যকুমার যাদব, ট্রাভিস হেড, শহীদ আফ্রিদি ও কুমার সাঙ্গাকারার মতো তারকারা ছিলেন। এ বছর টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে ৫ জন মনোনয়ন পেয়েছেন। এর মধ্যে দুজন করে ভারত ও পাকিস্তানের। আর বাংলাদেশের একমাত্র তারকা হিসেবে আছেন শেখ মেহেদী হাসান।

নিচে তালিকা দেওয়া হলো:

শেখ মেহেদী হাসান: ৪/১১ বনাম শ্রীলংকা, তৃতীয় টি-টোয়েন্টি, কলম্বো

২০২৫ সালের শ্রীলংকা সফরে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ হারার পর তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে সমতায় ছিল দুই দল। প্রথম দুই ম্যাচ না খেলেও এই ম্যাচে নেমেই দারুণ প্রভাব ফেলেন মেহেদী। চার ওভারে ৪ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেন তিনি, যা শ্রীলংকার মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

প্রথম ওভারেই কুশল পেরেরাকে স্লিপে ক্যাচ করান। পরের ওভারে দিনেশ চান্দিমালকে টপ-এজে ফেরান। পাওয়ারপ্লের পর চারিথ আসালাঙ্কাকে বোল্ড করেন দারুণ টার্নে। একাদশ ওভারে উইকেটসহ মেডেন দিয়ে পাথুম নিশাঙ্কাকেও ফেরান। ১১ ওভারে শ্রীলংকার সংগ্রহ ছিল ৫ উইকেটে ৬৬। শেষ পর্যন্ত তারা করে ১৩২/৭। বাংলাদেশ ১৭ ওভারেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে।

বরুণ চক্রবর্তী: ৩/২৩ বনাম ইংল্যান্ড, প্রথম টি-টোয়েন্টি, কলকাতা

ইডেন গার্ডেন্স সাধারণত পেসারবান্ধব হিসেবে পরিচিত। তবে এই ম্যাচে ভারতের স্পিনাররাই দাপট দেখান। বরুণ চক্ররবর্তী ভেলকি, টার্ন ও নিয়ন্ত্রণে ইংল্যান্ডের মিডল অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়ে সাত উইকেটের জয়ের ভিত গড়ে দেন।

পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে আক্রমণে এসে প্রথম ওভারে দেন আট রান। দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে হ্যারি ব্রুক তাকে বাউন্ডারি মারেন। তবে পরের বলেই দুর্দান্ত ‘রং-উন’ করে ব্রুককে বোল্ড করেন। দুই বল পর লিয়াম লিভিংস্টোনকেও ভেলকিতে পরাস্ত করেন। ইনিংসের ১৭তম ওভারে সর্বোচ্চ রান করা জস বাটলারকে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ করিয়ে ফেরান তিনি। ইংল্যান্ড অলআউট হয় ১৩২ রানে, ভারত ১২.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে।

মোহাম্মদ নওয়াজ: ৫/১৯ বনাম আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্রিদেশীয় সিরিজ ফাইনাল, শারজাহ

পাকিস্তান ১৪১/৮ তুললেও আফগানিস্তান ম্যাচে এগিয়ে ছিল। কিন্তু বাঁহাতি স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজ পাঁচ উইকেট, যার মধ্যে হ্যাটট্রিকও ছিল, নিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন।

পাওয়ারপ্লের শেষ ওভারে এসে দারবিশ রাসুলিকে এলবিডব্লিউ করেন। পরের বলেই আজমতউল্লাহ ওমরজাই ক্যাচ দেন। অষ্টম ওভারের প্রথম বলে ইব্রাহিম জাদরানকে স্টাম্পিং করিয়ে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। পরে করিম জানাতকে এলবিডব্লিউ করেন। শেষদিকে রশিদ খানকে ক্যাচে পরিণত করে ইনিংস শেষ করেন নওয়াজ।

শাহিন আফ্রিদি: ৩/২৮ বনাম শ্রীলংকা, এশিয়া কাপ সুপার ফোর, আবুধাবি

চোট ও গতি কমে যাওয়ার পরও শাহিন আফ্রিদি নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন। প্রথম ওভারের দ্বিতীয় বলেই কুশল মেন্ডিসকে ফেরান। পরের ওভারে পাথুম নিশাঙ্কাকে আউট করেন ১৪১ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে। শেষদিকে কামিন্দু মেন্ডিসকে ইয়র্কারে বোল্ড করে শ্রীলংকাকে ১৩৩/৮ রানে আটকে দেন।

কুলদীপ যাদব: ৪/৩০ বনাম পাকিস্তান, এশিয়া কাপ ফাইনাল, দুবাই

এশিয়া কাপ ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে শুরুটা ভালো হয়নি ভারতের। সাহিবজাদা ফারহান ও ফখর জামান ৮৪ রানের জুটি গড়েন। তবে স্পিন জুটি কুলদীপ যাদব ও বরুণ চক্রবর্তী ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন।

দশম ওভারে ফারহানকে ফেরানোর পর কুলদীপ ১৩তম ওভারে সাইম আইয়ুবকে আউট করেন। ১৭তম ওভারে তিন উইকেট নিয়ে পাকিস্তানের লোয়ার অর্ডার ভেঙে দেন। সালমান আগা, শাহিন আফ্রিদি ও ফাহিম আশরাফকে দ্রুত ফিরিয়ে দেন তিনি। পাকিস্তান বাকি ৬২ রানের মধ্যে সব উইকেট হারায়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম