ঢাকা ০৬ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় নির্বাচনে সরব চিতলমারী: সমাজসেবার ব্রত নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর আনিস সোনাতলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে জখম ও নারী হেনস্থার অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী নেতা রিয়াদ রিমান্ডে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামালের স্ত্রীর ২ ‎সঞ্চয় হিসাব অবরুদ্ধ দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে চাচা ও ভাতিজা নিহত বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গর্ভনর নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ইবি শিক্ষিকা নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা ঈদের ছুটি বাড়ল সচিবালয়ে নিজ কক্ষের অর্ধেক লাইট ও এসি কমিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শেরপুরে হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

০৩ নভেম্বর, ২০২২,  11:07 AM

news image

ছবি : সংগৃহীত

শেরপুর সরকারি হাসপাতালে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ ছাড়াও একদিনে জেলা হাসপাতালে ১২৮ জন ডায়রিয়ার রোগী ভর্তি হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) সকালে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. জসিম উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বুধবার (২ নভেম্বর) সারাদিন ওই হাসপাতালে ভর্তি হয় রোগী।বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেক রোগী। জানা গেছে, জেলা হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ১৬টি সিট থাকলেও স্বাভাবিকভাবে ২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে পারেন। গত এক সপ্তাহ থেকে হঠাৎ করে শেরপুর পৌর এলাকাসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ডায়রিয়া আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এদিকে এক সপ্তাহে প্রায় ছয় শতাধিক ডায়রিয়া রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

বুধবার ২৪ ঘণ্টায় ১২৮ জন রোগী শেরপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। আর জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে এক সপ্তাহে অন্তত সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা নেন। হঠাৎ করে আশঙ্কাজনকভাবে ডায়রিয়া রোগী বেড়ে যাওয়ায় হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে কোনো জায়গা খালি নেই। ইতোমধ্যে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। একই সঙ্গে জেলা হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে স্যালাইন ও ওষুধ সংকট। রোগীর স্বজন কামাল হোসেন জানান, দুই দিন ধরে পাতলা পায়খানা হচ্ছিল মায়ের। পরে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। কিন্তু মায়ের শরীর অনেক দুর্বল। ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে স্যালাইন দিয়েছিল। শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স ও ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ইনচার্জ মৌসুমী ইসলাম জানান, হাসপাতালে ডায়রিয়ার চিকিৎসায় দুই থেকে তিন মাসে যে ওষুধ লাগত, এখন এক দিনেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে ওষুধ ও স্যালাইনের সংকট দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. মো. জসিম উদ্দিন বলেন, হঠাৎ করে গত কয়েক দিনে ডায়রিয়া রোগী প্রায় ৫-৬ গুণ ভর্তি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে ওষুধ ও স্যালাইনের সংকট দেখা দিয়েছে। তিনি আরও জানান, পার্শ্ববর্তী উপজেলা, জেলা ও ময়মনসিংহ থেকে ওষুধ এবং স্যালাইন নিয়ে এসে সংকট সামাল দেওয়া হচ্ছে। মানুষের অসচেতনতায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম