ঢাকা ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দীর্ঘ লাইনে ভোটারের ভিড় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু নারী ভোটারদের নিরাপদ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণ করতে দেওয়ার আহ্বান জাতিসংঘের ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ২, আহত ৩০ জাল ভোট দিলে যেসব শাস্তি হতে পারে জামায়াতের জনপ্রিয়তায় ভীত হয়েই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে যাওয়ার পথে সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা নিহত নির্বাচনে নাশকতা-সহিংসতা কঠোরভাবে দমন করা হবে: বিজিবি মহাপরিচালক স্বচ্ছতার ভিত্তিতে ভোটগ্রহণ এবং গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে: সিইসি ভোটের দিন বন্ধ থাকবে যেসব সেবা

শেখ হাসিনায় আস্থা রাখেন ৭০ শতাংশ মানুষ : আইআরআই

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ আগস্ট, ২০২৩,  11:08 AM

news image

বাংলাদেশে চালানো এক জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ৭০ শতাংশ মানুষ আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপরেই আস্থা রাখেন। আর ৯২ শতাংশ মানুষের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) ‘ন্যাশনাল সার্ভে অব বাংলাদেশ, মার্চ-এপ্রিল ২০২৩’ শীর্ষক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। দেশের ৬৪টি জেলার পাঁচ হাজার জনের ওপর এই জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপের ফলাফলে আরও দেখা গেছে, ৩০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী শেখ হাসিনার কাজকে ‘খুব ভালো’ বলে মূল্যায়ন করেছেন। ৪০ শতাংশ মনে করেন, শেখ হাসিনার কাজ ‘মোটামুটি ভালো’। ২০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী মনে করেন, শেখ হাসিনার কাজ ‘মোটামুটি খারাপ’। ১০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী শেখ হাসিনার কাজকে ‘খুব খারাপ’ বলে মূল্যায়ন করেছে। এ ছাড়া ১ শতাংশ অংশগ্রহণকারী শেখ হাসিনার কাজ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি বা তারা জানে না। এ ছাড়া জরিপের ৪৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনকে সমর্থন করেন। তবে তাদের বেশির ভাগই মনে করেন, যে সরকারের অধীনেই নির্বাচন হোক বিরোধীদলগুলোর অংশ নেওয়া উচিত। জরিপের উত্তরদাতাদের ৯২ শতাংশ বলেছে, আগামী জাতীয় নির্বাচনে তাদের ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ৫৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছে, তারা ‘খুব সম্ভবত’ ভোট দেবে। যারা ভোট দিতে চায় না তারা নির্বাচনী জালিয়াতি এবং ভোটার নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যাকে ভোটদানের প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা অর্থনীতিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এরপর রয়েছে মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। ৪৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সন্তোষ ও ৪৭ শতাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। তবে দেশ আগের চেয়ে গণতান্ত্রিক হয়েছে বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারীরা। এ বিষয়ে আইআরআইয়ের দক্ষিণ এশিয়ার পরিচালক স্টিভ সিমা বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন দেখা উৎসাহব্যঞ্জক।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম