ঢাকা ২৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নরসিংদীতে সড়কের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে এবার ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে 'দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি' সুবিধাভোগীদের কবল থেকে মুক্ত করে জনগণের অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি গড়াই লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের এমপিদের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে: এলজিআরডি মন্ত্রী বিদ্যুতের জন্য সারা দেশে হাহাকার, আরও বাড়ার শঙ্কা ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর হত্যার ১৭ বছর পর রায়, দুই আসামির যাবজ্জীবন প্রাথমিকে মাঠ নিশ্চিতের নির্দেশ, ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

যারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছেন অবশ্যই তাদের বিচার বাংলার মাটিতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ নভেম্বর, ২০২২,  3:04 PM

news image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ৭ নভেম্বর ক্যু’র নামে মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়েছিল। এ হত্যার বিচার এখনও হয়নি। তবে তাদের আত্মীয়-স্বজনরা জীবিত থাকতেই বিচার দেখে যেতে পারবেন। এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। যারা মুক্তিযোদ্ধাদের অকারণে হত্যা করেছে তাদের বিচার হবেই। সোমবার (৭ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ‘৭ নভেম্বর, মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবসের আলোচনা সভা' শিরোনামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ একটা ধ্বংসস্তূপ ছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকে কোনো টাকা ছিল না। এই যে আমরা জামাকাপড় পরেছি সেগুলোর জন্য সেই সময় লাইন ধরে দাঁড়িয়েছিলাম। আজকে সেই জায়গা থেকে বাংলাদেশ কতটা উন্নত হয়েছে। এই উন্নয়নের পেছনে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলোকেই তার কন্যা শেখ হাসিনা সম্পন্ন করছেন। তার রক্ত যার শরীরে বইবে তারা তো ঘুরে দাঁড়াবেই। এটা বুঝতে পেরেই বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করেছিল ঘাতকরা। সেদিন সৌভাগ্যক্রমে বেঁচে যান শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। তারপরও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু পারেনি। তারা চার নেতাকে হত্যা করেছে। মুক্তিযোদ্ধা সৈনিকদের হত্যা করেছে। তাদের বিচার হবেই। এ সময় আসাদুজ্জামান নূর বলেন, আমরা যদি ইতিহাস পর্যালোচনা করি, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না। সে ছিল পাকিস্তানিদের পক্ষ থেকে আমাদের মধ্যে অনুপ্রবেশকারী। ইতিহাসে তাকে নিয়ে কোনো বই পাওয়া যায় না। কেননা, তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেননি। তিনি বলেন, তারা মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছিল, চার নেতাকে হত্যা করছিল। বাংলার মাটিতে সেই দলের কোনো অস্তিত্ব থাকা উচিত নয়। যে দল স্বাধীনতাবিরোধী সে দলকে নিষিদ্ধ করতে হবে। বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্ব আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা বীর বিক্রমের কন্যা নাহিদ ইজাহার খান, শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তমের কন্যা মাহজাবিন খালেদ এবং বিশেষ অতিথি আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, মেজর জেনারেল (অব.) গোলাম হেলাল মোর্শেদ খান বীর বিক্রম, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক এবং সশস্ত্র বাহিনীতে হত্যাকাণ্ড নিয়ে গবেষক আনোয়ার কবির।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম