ঢাকা ২৭ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
কলাপাড়ায় সবজি ক্ষেতে সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুস্পৃষ্ট হয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু কেরাণীগঞ্জে প্লাস্টিক কারখানায় আগুনে একজনের মৃত্যু, আহত ২ প্রাথমিকে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগের উদ্যোগ দেশে সারের সংকট নেই, পর্যাপ্ত মজুত আছে: কৃষিমন্ত্রী মিষ্টির শূন্য আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা ‘ডাকাতের কবলে’ রফিকুল ইসলাম মাদানী হাম উপসর্গে আজও ৬ জনের মৃত্যু শ্যামনগরে ধানখেত থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার আগামী অর্থবছরের মধ্যে বদলে যাবে দেশের স্বাস্থ্যখাত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাষ্ট্র সংস্কার না হলে নতুন শাসকও হাসিনা হয়ে উঠবেন: নাহিদ ইসলাম

যশোরে ছাত্রীদের শোবার ঘরে সিসি ক্যামেরা, মনিটর শিক্ষকের কক্ষে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১০ এপ্রিল, ২০২৫,  9:49 PM

news image

যশোরের শার্শা উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ ছাত্রীদের কক্ষ থেকে সিসি ক্যামেরা ও শিক্ষকের কক্ষ থেকে মনিটর জব্দ করেছে। অভিভাবকদের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গতকাল বুধবার বিকেলে সেখানে অভিযান চালায়। এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান বলেন, কওমি মাদ্রাসার পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় দুই শিক্ষক থাকেন। ওপরের চারটি তলায় আবাসিক থেকে মেয়েরা লেখাপড়া করে। মেয়েদের শোবারকক্ষে দুটি করে নাইট ভিশন ক্যামেরা স্থাপন করা ছিল। ওই ক্যামেরার মনিটর শিক্ষকের কক্ষে ছিল। নারী পুলিশ সদস্য পাঠিয়ে এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এক মাসের ফুটেজের রেকর্ড আছে। সেগুলো যাচাই–বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, মেয়েদের শোবার ঘরে ক্যামেরা স্থাপন করে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব করা হয়েছে। এটা কেউ করতে পারেন না। মাদ্রাসাটিতে ছাত্রীদের কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যাপারে এক অভিভাবক যশোরের পুলিশ সুপারের (এসপি) কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাজিব হাসান ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ানের নেতৃত্বে ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক আবু তাহেরকে (৪৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ নিয়ে যায়। আবু তাহের এই মাদ্রাসার মালিক, পরিচালক ও শিক্ষক। তিনি দাবি করেন, নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তিনি যখন সিসি ক্যামেরা দেখেন, তখন তাঁর স্ত্রী সঙ্গে থাকেন। সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করেন প্রতিষ্ঠানের নারী প্রধান শিক্ষক। পুলিশ মাদ্রাসা থেকে ১৬টি সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্র জব্দ করে নিয়ে যায়। যখনই ডাকা হবে, তখনই হাজির হওয়ার শর্তে পরে আবু তাহেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ওই মাদ্রাসায় কতজন মেয়ে থাকে, তার হিসাব মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ দিতে পারেনি। তবে ৪০ মেয়ের নাম পেয়েছে পুলিশ। সংখ্যাটি ১০০ থেকে ১৫০ হতে পারে। এ বিষয়ে আবু তাহের বলেন, গত বছর মাদ্রাসায় ১৮০ মেয়ে ভর্তি হয়েছিল। এখন ভর্তি চলছে। এ জন্য একটু কম আছে এখন। ১২ জন শিক্ষক আছেন। এর মধ্যে নয়জন নারী ও তিনজন পুরুষ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম