ঢাকা ১৭ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
১৮ ঘণ্টা পানি সরবরাহ বন্ধ থাকবে যেসব এলাকায় দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৬৯৯ হাজি প্রথমবার ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির ব্যুরোর সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ দীর্ঘ বিরতির পর ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন ২৮ জুন সিলেট বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যাংক খাতের মূলধন পর্যাপ্ততা এখন ঋণাত্মক বরিশালে লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন ৬ মাসের শিশুসহ ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের ৪৮-৪৭ ভোটে নাকচ ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিতের প্রস্তাব যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

মোহাম্মদপুরে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ মে, ২০২৫,  11:07 AM

news image

গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজধানীর মোহাম্মদপুরে শিশুসহ একই পরিবারের ৩ জন দগ্ধ হয়েছেন। বুধবার (৭ মে) ভোর ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকার একটি ৩ তলা বাড়ির নিচতলায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধরা হলেন- ফাতেমা বেগম (৪০), তার মেয়ে সাদিয়া আফরিন (২০) ও সাদিয়ার ১১ মাস বয়সী মেয়ে ইরশাত জাহান। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এরমধ্যে শিশু ইরশাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। ফাতেমার বোন জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, রাজধানীর গ্রিন রোডের একটি ক্লিনিকে আয়ার কাজ করেন ফাতেমা। মেয়ে ও মেয়ের জামাই ছাড়াও নাতনিকে নিয়ে চন্দ্রিমা উদ্যান এলাকার ১১ নম্বর রোডের ওই বাসায় থাকতেন তিনি। আর সাদিয়ার স্বামী পেশায় গাড়িচালক। ভোরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে ফোনে খবর পান, ওই বাসায় আগুন লেগেছে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত সবাইকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, চলতি মাসের ১ তারিখেই ভাড়া বাসাটিতে উঠেছিলেন তার বোন ও ভাগনি। মঙ্গলবার (৬ মে) রান্নার জন্য একটি গ্যাস সিলিন্ডারও কিনে এনেছিলেন তারা। তবে ভোররাতের দিকে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিল, সে সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বাসায় বিস্ফোরণ হয়। এতে তাদের তিনজনের শরীরে আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে এই বিস্ফোরণ হয়েছে সে বিষয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনি। জান্নাতুল ফেরদৌসের ধারণা, গ্যাস সিলিন্ডারের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ হয়ে থাকতে পারে। বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক ডা. মো. শাওন বিন রহমান জানান, বিস্ফোরণে শিশুটির শরীরের ৩০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে ভর্তি রাখা হয়েছে। এছাড়া বাকি দু’জনের শরীরের ৭ শতাংশ করে দগ্ধ হয়েছে। তাদের অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম