ঢাকা ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ঢাকার পল্লবীতেও বাসে আগুন এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ১১৪ রানে হার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে খুবির ৪ শিক্ষার্থীসহ আসামি ২৯ আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে মাথায় আঘাত করে হত্যা: পুলিশ সরকারি চাকরিতে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা আমরা সংবিধান সংশোধন নয়, সংস্কার চাই: মিয়া গোলাম পরওয়ার চিকিৎসাসেবায় বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, দেশে আসছে বিশ্বসেরা প্রযুক্তি ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণের রহস্য জানাল পুলিশ অপ্রতিম হত্যায় গ্রেফতার ৪, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাদক চোরাচালান ও অর্থ পাচারের তদন্তে আগুয়েরোর নাম

#

স্পোর্টস ডেস্ক

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  10:52 AM

news image

আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান ও অর্থ পাচারে অভিযুক্ত একটি চক্রের বিরুদ্ধে আর্জেন্টাইন আদালতের তদন্তে নাম এসেছে সার্জিও আগুয়েরোর। তদন্তের নথিপত্র থেকে জানা গেছে, একটি বাণিজ্যিক উদ্যোগে আগুয়েরোর বিশ্বব্যাপী পরিচিতি ও ভাবমূর্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করেছিল সন্দেহভাজন ওই অপরাধী চক্রটি।


বিচারক পাবলো ইয়াদারোলার নজরদারিতে চলা এই তদন্তে আগুয়েরোকে আসামি বা অভিযুক্ত করা হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বিস্তৃত এই অপরাধী চক্রটি তাদের একটি টিকিট প্ল্যাটফর্ম প্রকল্পে সাবেক এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের নাম জড়ানোর চেষ্টা করছিল, যা এখন আদালতের কঠোর আইনি পর্যালোচনার অধীন।


আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জব্দ করা ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া বার্তা ও নথিপত্র বলছে, আগুয়েরোর প্রতিষ্ঠিত ই-স্পোর্টস ক্লাবের সঙ্গে সম্পর্কিত ‘ক্রু টিকিটস’ ব্র্যান্ড চালুর বিষয়ে আলোচনা চলছিল। প্রকল্পটি দাঁড় করানোর ফাঁকে আগুয়েরোর নাম ও সুনামকে পুঁজি করে বড় অঙ্কের বাণিজ্যিক ফায়দা লুটাই ছিল ওই চক্রের মূল উদ্দেশ্য।


তদন্তকারীদের ধারণা, চক্রটি বলিভিয়া থেকে কোকেন এবং স্পেন থেকে সিন্থেটিক মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত। পুলিশ পিবট আলভারেজসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যিনি আটকের পর থেকে অনশন শুরু করেছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, চক্রটির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে আদান-প্রদান হওয়া বেশ কিছু বার্তা মামলার নথিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন দিয়েগো ফ্রান্সিসকো আনজালনি, বোনো ওজি দে কারলুচি, রাউল ওমার ব্রুহো মানজোনি এবং আলভারেজ। আভেলিয়ানেদা শহরের ইন্ডিপেনদিয়েন্তে স্টেডিয়ামের কাছে রিকার্দো বোচিনি স্ট্রিটের একটি আস্তানায় তাদের কিছু কর্মকাণ্ড পরিচালিত হতো।


মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০ জানুয়ারির একটি বার্তায় আনজালনি দে কারলুচিকে জানান, টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম নিয়ে তিনি শিগগিরই আগুয়েরোর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করার আশা রাখছেন। এর কয়েক সপ্তাহ পর তাদের মধ্যকার আলাপে একাধিক কোম্পানির মাধ্যমে এই প্রজেক্ট চালানোর বিষয়টি উঠে আসে। এর মধ্যে একটি কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন সন্দেহভাজন এক মাদক ব্যবসায়ী, আর অন্যটির লক্ষ্য ছিল আগুয়েরোর প্রজেক্টটি।


বাণিজ্যিক আলোচনা এগিয়ে নিতে মেক্সিকো সফরের বিষয়েও তাদের কথা হয়। গত ২২ এপ্রিল আনজালনি তাঁর মধ্যস্থতাকারীদের জানান, তিনি আগুয়েরোর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছেন এবং আলাপের ভিত্তিতে চুক্তিটি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।


তদন্তে আরও উঠে আসে, সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ১০ হাজার ইউরো সংগ্রহের চেষ্টা করা হয়েছিল। নথিপত্র ইঙ্গিত দিচ্ছে, আনজালনি নিজেই এই অর্থ জোগাড়ের চেষ্টা করছিলেন, যাতে প্রজেক্টের প্রাথমিক মূলধনে আগুয়েরোকে কোনো টাকা দিতে না হয়।


এই পুরো বিষয়টি বর্তমানে আইনি তদন্তাধীন রয়েছে। তবে আদালতের নথির কোথাও আগুয়েরোর বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অভিযোগ আনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম