ঢাকা ১২ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা পলিসি ক্যাম্প ২০২৬-এ বরগুনার তরুণ মোঃ সোহানুর রহমান সৈকত ফাইনালিস্ট হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ মৃত্যু সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির উন্নতি হবে ভারত থেকে দেশে আসছে ১৯টি নতুন রেলবগি হালাল অর্থনীতি হতে পারে নতুন সম্ভাবনার বড় ক্ষেত্র: বাণিজ্যমন্ত্রী সাভারে ফের বোমাসদৃশ প্রেসারকুকার উদ্ধার, ঘটনাস্থলে ডিসপোজাল ইউনিট আ. লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ ভ্রমণে উচ্চমাত্রার সতর্কতা কানাডার সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর

মাঝরাতে কাটাবনের বহুতলভবনে আগুন, নিহত ২

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুন, ২০২৬,  11:10 AM

news image

রাজধানীর কাটাবনে বহুতল ভবনে আগুন দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। টানা ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। ১৪ তলা এই ভবনে আবাসিক ও কমার্শিয়াল দুইটি ইউনিট থাকলেও রাখা হয়নি অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা।


রাত ১টায় কাটাবনের আল বারাকা বহুতল ভবনের ১২ তলার একটি ফ্লাটে আগুন দেখতে পান পাশের ভবনের বাসিন্দারা। মুহূর্তেই সেই আগুন পৌঁছে যায় ১৩ তলার একটি ফ্ল্যাটেও। প্রচণ্ড ধোঁয়া আর আগুনের লেলিহান শিখায় ছড়িয়ে পরে আতঙ্ক।


পাশের ফ্ল্যাটের এক বাসিন্দা বলেন, ‘রাতে ঘুমিয়েছিলাম। হঠাৎ আমরা দেখতে পাই যে আগুনের ধোঁয়া। ধোঁয়া দেখতে পাওয়ার কারণে আমরা সবাই একটু আতঙ্কিত হয়ে পড়ি।’


স্থানীয় একজন বলেন, ‘আমি তখন দেখতেছি যে আগুন কেবল জ্বলতেছে মানে অত ভয়াবহ হয় নাই। ওইটা আর কি একটা বেডরুম মতো ছিল, কিন্তু ওইটা আর কি আমি যতদূর শুনছি যে ওইটা কোনো মানুষ থাকে না, ওইটা হচ্ছে একটা অফিস।’


আল বারাকাসহ আশপাশের ভবন থেকে সবাই নিরাপদে নেমে আসলেও বের হতে পারেনি ওই দুই ফ্ল্যাটের দুই সহকারী। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর একটি বাথরুম থেকে তাদের উদ্ধার করে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল ও বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। তবে শেষ রক্ষা হয়নি।


নিউমার্কেট থানার ওসি মো. আইয়ুব বলেন, ‘যে দুইজনকে উদ্বার করা হয়েছে আগুন নিয়ন্ত্রণের আসার পরে যখন তাপ কিছুটা কমে আসছে, ওই দুইজনকে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজের আরেকজনকে বার্ন ইউনিটে প্রেরণ করা হয়। সবশেষ দুইজনই মারা গেছেন।’


এদিকে শুরুতে ২ ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও পরবর্তীতে যুক্ত হয় আরও চার ইউনিট। টানা ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয় ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভবনটিতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। মানা হয়নি বিল্ডিং কোড। ফলে বেগ পেতে হয়েছে আগুন নেভাতে।


ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কাজী নজমুজ্জামান বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পলাশী থেকে দুইটা ইউনিট এবং সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশন থেকে আরও চারটা ইউনিট, মোট ছয়টা ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দ্রুত তারা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে অগ্নিকাণ্ডের নিয়ন্ত্রণ আনে। প্রায় দুই ঘণ্টার ভিতরে অগ্নিকাণ্ডটা নিয়ন্ত্রণ করে নিয়ে আসে। যেহেতু অগ্নি-নির্বাপণ ব্যবস্থা আমরা কোনো কিছুই পাই নাই, সেহেতু আমাদের নীতিমালার বাইরেই বিল্ডিংটা ছিল।’


তবে কোথায় থেকে এই আগুনের সূত্রপাত তা এখনও জানা যায়নি।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম