ঢাকা ১৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাভারে জনগনের চাহিদায় ফুতপাত দখলমুক্ত করলো সাভার উপজেলা প্রশাসন আশুলিয়ায় মাদ্রাসার নির্মানাধীন ভবন থেকে ২ রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার সাপাহারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে স্টান্ডিং অর্ডার অন ডিজাষ্টার'র সভা অনুষ্ঠিত সারা দেশে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে হবে এইচএসসি পরীক্ষা : শিক্ষামন্ত্রী হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু প্রাথমিক শিক্ষার সব দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা স্ত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন অভিনেতা আলভী নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান নেত্রকোনায় পৃথক স্থানে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু সাগর-রুনি হত্যা: ১২৭ বারের মতো পেছালো তদন্ত প্রতিবেদন

বৃষ্টি-বন্যায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৫

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

৩০ জুন, ২০২৫,  12:49 PM

news image

পাকিস্তানে টানা মৌসুমি বৃষ্টি ও হঠাৎ বন্যায় কয়েক দিনের ব্যবধানে অন্তত ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।  রোববার (২৯ জুন) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে, এর মধ্যে ১০ জন শিশু। স্বাত উপত্যকায় হঠাৎ বন্যার পানির স্রোতে নদীর ধারে থাকা পরিবারগুলো ভেসে যাওয়ার ঘটনা স্থানীয় গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। ভারত সীমান্তসংলগ্ন পাঞ্জাবে ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে ৮ জন শিশু বৃষ্টির সময় দেয়াল ও ছাদ ধসে পড়ে মারা গেছে। সিন্ধ ও বেলুচিস্তানে আরও অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। দেশটির জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে, শনিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি ও হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি রয়ে যাবে। গত মাসেও তীব্র ঝড়ে পাকিস্তানে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান হারে চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, আমাদের উপকূলীয় অঞ্চলসহ নদী অববাহিকাগুলোতেও এমন অপ্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত এবং হঠাৎ বন্যার ঝুঁকি রয়েছে, যা মোকাবেলায় পূর্বপ্রস্তুতি থাকা জরুরি। পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আগামী ২৯ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টি, দমকা হাওয়া ও বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে। ইসলামাবাদ, কাশ্মীর, পাঞ্জাবের কিছু অংশ এবং খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন এলাকায় শহুরে বন্যা, হঠাৎ বন্যা এবং ভূমিধসের আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। দক্ষিণ সিন্ধের করাচি, হায়দ্রাবাদ, ঠাঠা ও বাদিনে ২ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, যা শহুরে বন্যার ঝুঁকি বাড়াবে। বন্যা গবেষকরা বলছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সমন্বিত দুর্যোগ প্রস্তুতি, তথ্য বিনিময় এবং জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো তৈরির জন্য এই ধরনের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নেওয়া সময়ের দাবি। কারণ, পাকিস্তানের মতোই দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নিম্নাঞ্চলগুলোও হঠাৎ বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে, যা মৌসুমি বৃষ্টিতে তীব্র আকার নিতে পারে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম