ঢাকা ২৯ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নরসিংদীতে সড়কের পাশের ময়লার স্তূপ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামে সব নদ-নদীর পানি বাড়ছে, দুধকুমারের পানি বিপৎসীমার ওপরে এবার ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রসারিত হচ্ছে 'দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি' সুবিধাভোগীদের কবল থেকে মুক্ত করে জনগণের অংশগ্রহণমূলক অর্থনীতি গড়াই লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের এমপিদের ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে: এলজিআরডি মন্ত্রী বিদ্যুতের জন্য সারা দেশে হাহাকার, আরও বাড়ার শঙ্কা ভেনেজুয়েলার পাশে নেইমার দিল্লি থেকে শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে চাওয়া স্ট্যান্টবাজি : চিফ প্রসিকিউটর হত্যার ১৭ বছর পর রায়, দুই আসামির যাবজ্জীবন প্রাথমিকে মাঠ নিশ্চিতের নির্দেশ, ৪র্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক

বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ে ১০ শতাংশ কোটা হাইকোর্টে বাতিল

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ নভেম্বর, ২০২১,  2:45 PM

news image

বীর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশের কোটা বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি কামরুল কাদের এবং বিচারপতি মো. মাহবুব উল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আজ বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন। রিটের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তৌফিক ইনাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,

রায়ে হাইকোর্ট গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হয়নি, এমন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির ক্ষেত্রে বিদ্যমান গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি তালিকাভুক্ত না করা সংক্রান্ত জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) বিধান/পরিপত্রটি বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন । গত ১৮ এপ্রিল ২০১৯ সালে জামুকা ওই পরিপত্রটি জারি করে। ওই পরিপত্রে বলা হয়, প্রত্যেক উপজেলায় গেজেট অন্তর্ভুক্ত হয়নি এমন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের গেজেটভুক্তির জন্য বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় ভাতা-ভোগী সাধারণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যার ১০ শতাংশের বেশি তালিকাভুক্ত  করা যাবে না। আইনজীবী বলেন, অথচ ২০১৭ সালে উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ‘ক’ তালিকা প্রস্তুত করা হয় এবং ওই তালিকাতে রিট আবেদনকারীরা তালিকাভুক্ত হন। কিন্তু, আলোচ্য সিদ্ধান্তের ফলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা অনেকেই বাদ পড়ে যান। সে কারণেই ১০ শতাংশ সংক্রান্ত ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাভার সদর, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলাসহ বেশ কয়েকটি উপজেলার ‘ক’ তালিকাভুক্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা  হাইকোর্টে ২০২০ সালে রিট আবেদন দায়ের করেন। হাইকোর্ট ওই বছরই জামুকার উপর্যুক্ত পরিপত্রটি অর্থাৎ বিধানটি কেন বাতিল করা হবে না মর্মে জানতে চেয়ে জামুকা ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম