ঢাকা ০৭ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিমান বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নওগাঁয় যানবাহনের কালো ধোঁয়া পরীক্ষা, আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার মতো কিছু পাওয়া যায়নি জামদানি শাড়ি ও খোঁপায় বেলি ফুলের সাজে নজর কাড়লেন মায়াবতী পূর্ণিমা বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন এবার এশিয়ার বাজারও দখলে নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, রপ্তানির জোয়ার ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে চার নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী লটারিতে বদলি, ১৮ সাব-রেজিস্ট্রারের তালিকা প্রকাশ এলপিজি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে ডিসিদের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় হত্যা মামলার প্রধান আসামি ধরা

বিশ্বব্যাপী ব্যাংক শেয়ারে ধস, আতঙ্ক

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৪ মার্চ, ২০২৩,  4:43 PM

news image

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে বন্ধ হয়ে গেছে দু’টি ব্যাংক। সেগুলো হল- সিলিকন ভ্যালি ও সিগনেচার। এ ঘটনায় মার্কিনিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। গ্রাহকদের এই আতঙ্ক-শঙ্কা দূর করতে সোমবার বক্তব্য দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি জানান, ব্যাংকে গচ্ছিত গ্রাহকদের অর্থ পুরোপুরি নিরাপদ। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পরও বিশ্বব্যাপী ব্যাংকগুলোর শেয়ারে দরপতন হয়েছে। মঙ্গলবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। বিনিয়োগকারীদের মনে ভয় ঢুকেছে অন্যান্য ব্যাংকগুলোও হয়ত বর্তমান সংকটে ধাক্কা খাবে।

আর এ শঙ্কা ব্যাংকের শেয়ারে দরপতন ঘটিয়েছে। সোমবার দিনের শুরুতে স্পেনের সানতানদার এবং জার্মানির কমার্জব্যাংকের শেয়ার একটা সময় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ইউরোপের ব্যাংকগুলোর চেয়ে আমেরিকার ছোট ব্যাংকগুলোর ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি ছিল। যদিও সোমবার মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে এ সংকট সহজেই মোকাবিলা সম্ভব। দেশে কোনও তারল্য সংকট নেই। এমন পরিস্থিতিতে শোনা যাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ফেডারেল রিজার্ভ সুদ হার বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করবে। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে মার্কিন ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা অব্যাহতভাবে সুদ হার বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবারের বক্তব্যে আরও জানান, সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকে যাদের অর্থ গচ্ছিত ছিল তারা সবাই তাদের অর্থ ফেরত পাবেন। গত শুক্রবার সিলিকন ভ্যালি ব্যাংকের পতন হওয়ার পর প্রায় সব গ্রাহকের অর্থ আটকে যায়। যেহেতু এ ব্যাংকটির সঙ্গে স্টার্টআপ এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর লেনদেন বেশি ছিল, ফলে ব্যাংকে টালমাটাল পরিস্থিতি ও অর্থ আটকে যাওয়ার পর ওই কোম্পানিগুলোর কর্মীদের বেতন আটকে যায়। সূত্র: বিবিসি, রয়টার্স

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম