ঢাকা ১৫ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৮ শিশুর মৃত্যু শিক্ষকদের অবসরের টাকা পেতে অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী ডারউইন টেস্ট: ঐতিহাসিক জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ দাম কমার পরদিনই স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ২১৫৮ টাকা কালিয়াকৈরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার যেভাবে গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী হয়ে ওঠেন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে 'এমপি মোশাররফকে মন্ত্রী হিসেবে পেতে' উপকূলের লাখো মানুষের দাবী প্যারিসে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব ফ্রান্সের আত্মপ্রকাশ ও কমিটি গঠন অর্থের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে কেউ বঞ্চিত হবে না: প্রধানমন্ত্রী স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের বাইরে খোলাবাজারে নিত্যপণ্য বিক্রির পরিকল্পনা করছে টিসিবি

ফেসবুকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ২২ বছর পর বাবার খোঁজ পেলেন পাকিস্তানি তরুণী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:21 AM

news image

ছবি : সংগৃহীত

২২ বছর পর ফেসবুকের একটি গ্রুপের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবস্থিত নিজ পরিবারের খোঁজ পেলেন তাহরিম রিদা নামে এক পাকিস্তানি তরুণী। বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৫৭ মিনিটে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে রিদা একটি স্ট্যাটাস দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। আমি এখানে আমার বাবার পরিবার খুঁজতে এসেছি।  আমার বাবা ১৯৮৭ সালে পাকিস্তান এসে আমার মাকে বিয়ে করেছিলেন। ২০০৪ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বাংলাদেশের ফেনী থেকে এসেছিলেন। তার নাম ছিল মুহাম্মদ কাসিম আজাদ। আমার দাদার নাম তফাজুল হক, যিনি সম্ভবত আমার বাবার শৈশবে মারা গিয়েছিলেন। আমি আমার বাবার পরিবার সম্পর্কে খুব বেশি বা প্রায় কিছুই জানি না।’গ্রুপে তিনি চাচার একটি ছবি দিয়ে বলেন, ‘আবু সাদিক আমার বাবার বড় ভাই।

যদি কেউ এই পরিবার সম্পর্কে কিছু জানেন তবে আমার পরিবারের সঙ্গে দেখা করা যাবে। এটা আমার জন্য খুবই আনন্দের হবে যা আমি কখনো দেখিনি।’ রিদা পোস্টের আরও উল্লেখ করেন, ‘কলেজে বা বাইরে গেলে তার বাবার পরিচয় জানতে অনেকেই বিরক্ত করে। পিতৃপরিচয় না থাকায় অবহেলিত হতে হয়েছে ২২ বছর। তার বাবা পাকিস্তান থাকাকালীন তার মাকে বিয়ে করেন। পাকিস্তানে তার মাকে রেখে দেশে গেলে অসুস্থ হয়ে মারা যান। এরপর তার পরিবারের সঙ্গে আর পরিচয় হয়নি।’ রিদা পোস্ট দেওয়ার ২৩ মিনিটের মধ্যে বাবার পরিবারের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শুধু তাই নয়, তার ফুপু এবং ফুপাত ভাইয়ের সঙ্গেও কথা হয়।  রিদার বাবার বাড়ি ফেনীর দাগনভূঁইয়ার ফাজিলের ঘাটে। তার বাবা দেশে এসে তার মাকে চিঠি পাঠাতেন। চিঠিতে উল্লিখিত ঠিকানা থেকেই ফেনী শব্দটি পায় রিদা। পরে গুগলে সার্চ করে জানতে পারে ফেনী একটি জেলা। পরবর্তীতে ফেনী সার্চ করে ‘আমাদের ফেনী’ নামক গ্রুপটি পায়। এরপর যাবতীয় ডিটেইলসসহ ফেসবুকে ইংরেজিতে পোস্ট করেন। এরপর ট্রান্সলেশন করে বাংলায় পোস্ট দেন অ্যাডমিন প্যানেল। পিতৃপরিচয় পেয়ে রিদা বলেন, ‘ফেনীর মানুষকে কী বলে ধন্যবাদ দেবো তা বলার ভাষা আমার নেই। আমাকে যারা খুঁজে পেতে সহায়তা করেছে সবাইকে আল্লাহ নেক হায়াত দান করুক। খুব শিগগিরই আপনাদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম