ঢাকা ২৪ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দেশে স্বর্ণের দামে বড় ধস যে কারণে নিয়ন্ত্রণে আসছে না হাম শিক্ষার্থী নকল করলে প্রতিষ্ঠানপ্রধানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট সীতাকুণ্ডে মসজিদে মিললো ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ ৩৯ বছরেও ফুটবলের সিংহাসনে তিন প্রজন্মের রাজপুত্র লিওনেল মেসি সময়ের আবর্তন মুমিনকে সচেতন করে তোলে ঘানার সঙ্গে ড্র, তবু আতঙ্কের কিছু দেখছে না ইংল্যান্ড বিপৎসীমার নিচে তিস্তার পানি, স্বস্তিতে পাড়ের মানুষ

পদ্মার পর চলে গেলো সেতু, বেঁচে রইলো স্বপ্ন

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

২৫ জুলাই, ২০২২,  2:15 PM

news image

দিনাজপুরের বিরামপুরে একসঙ্গে জন্ম নেয়া স্বপ্ন, পদ্মা ও সেতু নামের তিন কন্যা শিশুর মধ্যে পদ্মার মৃত্যুর একদিনের মাথায় চলে গেলো সেতুও। তবে সুস্থ আছে স্বপ্ন নামের অপর শিশুটি।রোববার (২৪ জুলাই) রাতে উপজেলার বিনাইল ইউনিয়নের কৃষ্টবাটি গ্রামে নিজ বাড়িতে সেতুর মৃত্যু হয়। এরআগে, শনিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পদ্মা মারা যায়। স্বজনরা জানান, গত ১৮ জুলাই দুপুরে বিরামপুরের ইমার উদ্দিন কমিউনিটি হাসপাতালে স্বাভাবিকভাবে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম দেন সাদিনা বেগম। পদ্মা সেতুকে স্মরণীয় করে রাখতে তিন শিশুর নাম রাখা হয় স্বপ্ন,পদ্মা ও সেতু। 

শিশুর বাবা জাহিদুল ইসলাম জানান, তার তিন কন্যা সন্তান বাড়িতে সুস্থ ছিলো। শনিবার  রাতে কর্মস্থল ঢাকাতে যাওয়ার প্রস্তুতির জন্য বিকেলে বাড়ির বাইরে গেলে কিছুক্ষণ পর তাদের মা সাদিনা বেগম মোবাইল ফোনে পদ্মার অসুস্থতার বিষয়ে জানায়। বাড়িতে আসার আগেই পদ্মার মৃত্যু হয়। পদ্মার মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই রোববার রাতে মারা যায় সেতু।  বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার জানান, গত বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই তিন কন্যা সন্তানের জন্য নগদ দশ  হাজার টাকা শিশুখাদ্যসহ অন্যান্য উপহার সামগ্রী দেয়া হয়।গত শনিবার  হঠাৎ পদ্মা মারা যায়। এরপর তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে অন্য দুই সন্তানকে চিকিৎসার জন্য বিরামপুরে চিকিৎসকের নিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। বিরামপুরে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যাযন জাহিদুল দম্পতি। রোববার রাতে হঠাৎ করেই সেতুর মৃত্যুর খবর আসে। পরপর দু’টি সন্তানের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। বেঁচে থাকা কন্যা শিশু স্বপ্নের সুচিকিৎসার জন্য ওই পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম