ঢাকা ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু রাতে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভয়ংকর রূপে ডেঙ্গু, প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে ডব্লিউএইচও’র সতর্কবার্তা পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণের পর সমাবর্তন ঘোষণার হিড়িক, কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কবে ককটেল ফোটালেই ৫ হাজার টাকা, যোগাযোগে ভারতীয় নম্বর: ডিবি মোটরসাইকেল ও গাড়ি চালকদের জন্য পুলিশের ১২ নির্দেশনা ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল, উত্তাল সাগরে ১৮ জেলে পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ নিরাপদ ও টেকসই বিশ্ব গড়ে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফিলিস্তিনিদের জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তার অঙ্গীকার কানাডার

পদত্যাগ করলেন ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্ন

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৯ জানুয়ারি, ২০২৪,  5:00 PM

news image

দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর না যেতেই পদত্যাগ করলেন ফরাসি প্রধানমন্ত্রী এলিজাবেথ বোর্ন। স্থানীয় সময় সোমবার (৮ জানুয়ারি) দেশটির প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এক বিবৃতির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে, ঠিক কী কারণে এত কম সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন বোর্ন, তা জানা যায়নি এখনও। চলতি বছরের শেষের দিকে ইউরোপীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ তার শীর্ষ দলে রদবদল করবেন বলে শোনা যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবেই হয়তো প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন এলিজাবেথ। বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ বলেছেন, বোর্ন দায়িত্বে থাকাকালীন তার কাজে সাহস, প্রতিশ্রুতি এবং সংকল্প দেখিয়েছিলেন। তার উত্তরসূরি হিসেবে কাকে নিযুক্ত করা হবে তা এখনো জানা যায়নি। তবে এলিসি প্যালেসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত বোর্নই এই পদে থাকবেন। দায়িত্বকাল দুই বছরের কম হলেও বোর্ন ফ্রান্সের দ্বিতীয় নারী, যিনি এত বেশিদিন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এডিথ ক্রেসন। তিনি ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঁসোয়া মিটাররান্ড। সম্প্রতি ফরাসি সরকারে রদবদলের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। সামনের জুনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগেই নিজের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ। ওই একই সময়ে অলিম্পিক গেমস আয়োজন হবে ফ্রান্সে। আরও তিন বছর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ম্যাক্রোঁ। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশজুড়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু বিতর্কিত নীতি এবং আইনী পরাজয়ের কারণে যেভাবে বিক্ষোভ হয়েছে তাতে তার সরকারের অবস্থানকে আরও জোরালো করতে কিছু সংশোধণ আনা প্রয়োজন। গত ডিসেম্বরে অভিবাসন আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে বড় ধরনের পরাজয়ের সম্মুখীন হয় ম্যাক্রো প্রশাসন। এই ঘটনাকে ম্যাক্রোঁ সরকারের জন্য ব্যাপকভাবে সংকটের মুহূর্ত হিসাবেই দেখা হয়েছে। তবে ডানপন্থী বিরোধী গোষ্ঠীগুলোকে ছাড় দেওয়ার পর ওই আইন শেষ পর্যন্ত পাস করা সম্ভব হয়। তবে ম্যাক্রোঁর দল এখনও ইউরোপীয় ভোটে একটি শক্তিশালী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম