আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৪ নভেম্বর, ২০২৩, 2:08 PM
দিনে দুই টুকরা রুটি খেয়ে বেঁচে থাকে গাজাবাসী
গত ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে প্রায় চার সপ্তাহের মত সময় ধরে চলছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস ও ইসরায়েলের যুদ্ধ। যুদ্ধের শুরু থেকেই অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে তীব্র ও ভয়াবহ বোমা হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এছাড়া ৭ অক্টোবর থেকেই কঠোর অবরোধ দিয়ে রেখেছে ভূখণ্ডটিতে। ফলে উপত্যকাটিতে কোন খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, পানি সরবরাহ না থাকায় চরম মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে গাজাবাসী। এমন পরিস্থিতিতে গাজার বাসিন্দারা দিনে দুই টুকরো রুটি খেয়ে বেঁচে থাকে বলে মন্তব্য করেছেন গাজায় ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের শীর্ষ সহায়তা কর্মকর্তা থমাস হোয়াইট। খবর আল জাজিরা। কূটনীতিকদের সাথে এক ভিডিও ব্রিফিং এ এসব কথা বলেন থমাস হোয়াইট। সভায় তিনি জানান যে, গাজার বাসিন্দারা দিনে দুই টুকরো রুটির উপর জীবনযাপন করছেন এবং খাবার পানির জন্য ক্রমশ মরিয়া হয়ে উঠছেন। তিনি আরও বলেন, ‘ফিলিস্তিন শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্ম সংস্থা গাজায় প্রায় ৮৯টি বেকারিকে সহায়তা করছে। কিন্তু গাজাবাসী এখন রুটির চেয়ে পানির সন্ধান করছে বেশি।‘ সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে গাজা জুড়ে বিস্তৃত ভ্রমণের ভিত্তিতে উপত্যকাটি "মৃত্যু ও ধ্বংসের দৃশ্য" হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। খাদ্য ও পানির অভাবে মরিয়া হয়ে উঠছে গাজার বাসিন্দারা। গত সপ্তাহে, হাজার হাজার বাসিন্দা মধ্য গাজার একটি গুদামে হামলা চালায় যেখানে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) খাদ্য মজুত করছিল। যুদ্ধ শুরু পর থেকে ইসরায়েল সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করার ফলে খাদ্য, পানি ও জ্বালানির মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে গাজায়। তবে ২১ অক্টোবর গাজায় সীমিত সাহায্য প্রবেশের অনুমতি দেওয়া শুরু করে ইসরায়েল। যদিও রাফাহ ক্রসিং দিয়ে আগত বিভিন্ন দেশের ত্রাণ মানবিক সাহায্য অনেক দেরীতে প্রবেশ করছে এবং পর্যাপ্ত নয় গাজাবাসীর জন্য।