ঢাকা ১৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সীতাকুণ্ডে জাহাজভাঙ্গা কারখানায় বিষাক্ত গ্যাসে নিহত বেড়ে ৮ সাভারে মা-ছেলেসহ ৩ ‘পেশাদার’ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার ঢাকার আবাসিক ভবনে আগুন হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর প্রাণহানি নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যানি, এলজিআরডিতে সালাহউদ্দিন চকরিয়ায় সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি- এর চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পুনঃনির্বাচিত প্রভাতী ইন্সুরেন্স পিএলসি এর ৩০ তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত দুদকের অভিযোগ পরিসমাপ্তি : ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান এনআইডিতে জন্ম তারিখ সংশোধন নিষ্পত্তি করবে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা

দাঁতের যত্ন না নিলে ঘটতে পারে যেসব বিপদ

#

লাইফস্টাইল ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  11:54 AM

news image

মানুষের ধারণা নিয়মিত দাঁত বা মুখ পরিষ্কার করা মানে নিছক দাঁতের সৌন্দর্য। কিন্তু দাঁতের যত্ন না নিলে একজন বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে।  চিকিৎসকদের মতে, মুখের স্বাস্থ্য সরাসরি হার্টের সঙ্গে যুক্ত। হার্ট সুস্থ রাখতে শুধু ব্যায়াম বা ডায়েট নয়, মুখের স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত দাঁত না মাজলে শুধু ক্যাভিটি নয়, ভবিষ্যতে হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, যখন মুখে প্ল্যাক বা ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে, তখন তা মাড়িতে সংক্রমণ তৈরি করে। এই ব্যাকটেরিয়া সহজেই রক্তে ঢুকতে পারে। রক্তে প্রবেশের পর ব্যাকটেরিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি করে। দীর্ঘদিন এই প্রদাহ থাকলে ধমনীগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। দন্ত চিকিৎসকদের মতে, শুধু দাঁত মাজা যথেষ্ট নয়। দাঁতের ফাঁক বা মাড়ির নিচে জমে থাকা খাবার ও ব্যাকটেরিয়া দূর করার জন্য ফ্লস ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। ফ্লস না করলে অনেক জায়গা পরিষ্কার হয় না, যেখানে ব্যাকটেরিয়া জমে থেকে সমস্যা তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মাড়ির দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা রয়েছে, তাদের হার্টের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেশি। কারণ মুখের ব্যাকটেরিয়া ধমনীর ভেতরে চর্বি জমা ও প্রদাহ বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে রক্ত চলাচলে বাধা আসে এবং হার্টের সমস্যা বাড়ে। চিকিৎসকদের পরামর্শ, প্রতিদিন অন্তত দু’বার বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে দাঁত মাজতে হবে। নিয়মিত ফ্লস বা ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করুন। অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি খাবার কম খান। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলুন। ছয় মাসে একবার দন্ত চিকিৎসকের কাছে চেকআপ করান।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম