ঢাকা ০১ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসকে বিকৃত করবে না: তথ্যমন্ত্রী পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ফায়ার সার্ভিসের নতুন পরিচালক মাহমুদুল হাসান সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের ইরান যুদ্ধের কারণে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে তেলের দাম দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি'র মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ রাজধানীতে স্কুলকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঝালকাঠিতে জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির ‘খটক মাছ’, বিক্রি আড়াই লাখ টাকায়

দক্ষিণখান থেকে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫,  3:18 PM

news image

রিনা মনিকা কস্তা (৪৩) নামের এক খ্রিষ্টান নারীর ঝুলন্ত মরদেহ রাজধানীর দক্ষিণখান থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে দক্ষিণখানের পশ্চিম মোল্লারটেক কাজী অফিসের মোড় সংলগ্ন একটি বাড়ির ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। রিনা মনিকা কস্তার দুই ছেলেসন্তান রয়েছে। তিনি গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দড়িপাড়া গ্রামের সঞ্জু রোজারিওর মেয়ে এবং একই এলাকার হিউবার্ট কস্তার স্ত্রী। মনিকার ছোট ছেলে অন্তর রোজারিও বলেন, তার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে ফোনে জানতে পারেন, মা ঘরের ভেতর থেকে দরজা বন্ধ রেখেছেন। দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও দরজা খোলেননি। কোনো সাড়া-শব্দও পাওয়া যায়নি। পরে বড় ভাই জানালা দিয়ে মায়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। মনিকার সঙ্গে ফয়সাল (২৮) নামে এক যুবকের সম্পর্ক ছিল। তিনি তাঁদের বাসায় আসতেন বলে জানান অন্তর রোজারিও। ফয়সাল সম্পর্কে অন্তর রোজারিও অভিযোগ করে আরও জানান, ‘বাসায় প্রায়ই ফয়সালের সঙ্গে মায়ের বাগ্বিতণ্ডা হতো। ঘটনার আগেও ফয়সালের সঙ্গে মায়ের তর্কবিতর্ক, এমনকি হাতাহাতি হয়। একপর্যায়ে ফয়সাল পাশের ঘরে চলে যান আর মা ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন। মায়ের মরদেহ উদ্ধারের পর ফয়সাল পালিয়ে যায়।’ এ বিষয়ে দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহীন আলম বলেন, মনিকা কস্তা ও তাঁর স্বামী হিউবার্ট কস্তার মধ্যে সম্পর্কের অবনতির কারণে তিন বছর ধরে তারা আলাদা থাকেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম