ঢাকা ০৮ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
খলিফা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে মুরাদনগরে ৫ শতাধিক অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ তেল নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই : জ্বালানিমন্ত্রী একটি কার্যকরী সংসদ গঠনের জন্য কাজ করে যাচ্ছি: তথ্যমন্ত্রী প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট জ্বালানি তেল পাচার রোধে সীমান্তজুড়ে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন ৮ দিনে ঢাকা থেকে বাতিল ২৬৮ ফ্লাইট সাতক্ষীরায় জুতা শিল্পের নতুন সম্ভাবনা দুই আসনের উপনির্বাচন: ১৬ মার্চ থেকে শুরু প্রচারণা হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আসা ১৫ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে টর্নেডোর আঘাতে বিধ্বস্ত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ মিশিগান, নিহত ৪

তফসিলের পর যে সকল ক্ষমতা পাচ্ছে ইসি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৫ নভেম্বর, ২০২৩,  6:40 PM

news image

ওবায়দুর রহমান লিটনঃ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২’ অনুসারে আজ বুধবার (১৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় তফসিল ঘোষণার পরপরই শুরু হচ্ছে ‘নির্বাচনপূর্ব সময়’। নির্বাচন শেষে ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ পর্যন্ত এই ‘নির্বাচনপূর্ব সময়’ বহাল থাকবে। এ সময়ে সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর ৫(২) অনুচ্ছেদ কার্যকর হবে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের  দায়িত্ব সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের অবশ্যকর্তব্য। আর  গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর ৫(২) অনুচ্ছেদে বলা আছে, নির্বাচন  কমিশন যেকোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য  প্রয়োজনীয় যেকোনো দায়িত্ব পালনের বা সহায়তা প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবে।এ সময়ে বর্তমান সরকার নির্বাচনকালীন সরকারে পরিণত হবে এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালার বিধি ৩ অনুসারে এ সময়ে যেকোনো সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের রাজস্ব বা উন্নয়ন তহবিলভুক্ত কোনো প্রকল্পের অনুমোদন, ঘোষণা, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন বা ফলক উন্মোচন বন্ধ হয়ে যাবে। সরকারের কার্যক্রম ‘রুটিন ওয়ার্কে’ সীমিত হয়ে পড়বে।গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২-এর ৪৪(ঙ) অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল ঘোষণার পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি ছাড়া বিভাগীয় কমিশনার, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপার এবং তাদের অধস্তন কর্মকর্তাকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া বদলি করা যাবে না। এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনবোধে যেকোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বদলির ব্যবস্থা নিতে পারবে। ‘নির্বাচন কমিশন এ সময় নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১’ প্রয়োগ করতে পারবে। এ বিধান অনুসারে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা/কর্মচারী নিজেদের চাকরির অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে নির্বাচন কমিশনের অধীনে প্রেষণে নিয়োজিত আছেন বলে বিবেচিত হবেন। তাদের কেউ নির্বাচন কমিশন বা রিটার্নিং অফিসারের আদেশ-নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হলে তা অসদাচরণ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে এবং এ অপরাধে তার চাকরি হারানোর শাস্তিও হতে পারে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম