ঢাকা ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় বিস্ফোরণের পর আগুন, নিহত ৭ হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে লাশের সারি বেকারত্ব কমাতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ রাষ্ট্রপতির প্রথম স্ত্রীসহ এমপি নজরুল ইসলাম রিমান্ডে ঢাকায় বিক্ষোভের ডাক এনসিপির, সন্ধ্যায় মিছিল সরকার বাধ্য হয়েই তেলের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নৌসদস্যের মৃত্যু জাতীয় গ্রিডে সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহে ইউনিয়ন পরিষদকে ‘বড় বরাদ্দ’ দেশের স্বার্থ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর: মাহদী আমিন স্বাস্থ্যখাতের ওপর সরকারের বড় সাফল্য নির্ভর করছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডার্ক ওয়েবে ১৫ কোটির বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্স, তদন্তে এফবিআই

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  11:18 AM

news image

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার ১৫ কোটি ৩০ লাখের বেশি ড্রাইভিং লাইসেন্সের ডিজিটাল কপি ডার্ক ওয়েবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। বিপুলসংখ্যক সরকারি পরিচয়পত্রের তথ্য ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।


সাইবার নিরাপত্তা সাংবাদিক ব্রায়ান ক্রেবসের অনুসন্ধানে ‘নেক্সাস’ নামে একটি ডার্ক ওয়েব প্ল্যাটফর্মে এসব ড্রাইভিং লাইসেন্স বিক্রির তথ্য সামনে আসে। প্ল্যাটফর্মটির দাবি, তাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিপুলসংখ্যক ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ অন্যান্য পরিচয়পত্র ও ভ্রমণসংক্রান্ত নথির তথ্য রয়েছে।


প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েকটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের তথ্য যাচাই করে সেগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে। তবে এত বিপুলসংখ্যক তথ্য ঠিক কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে কিংবা কোনো নির্দিষ্ট সাইবার হামলার মাধ্যমে এসব তথ্য চুরি হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনার সম্ভাব্য উৎস নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও তদন্তকারীরা কাজ করছেন।


সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ড্রাইভিং লাইসেন্সে থাকা নাম, ছবি, জন্মতারিখ ও অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য অপরাধীদের হাতে গেলে পরিচয় চুরি, ভুয়া পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট খোলা এবং আর্থিক প্রতারণার মতো অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ডিজিটাল কপি ডার্ক ওয়েবে ছড়িয়ে পড়লে তা দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন অপরাধে ব্যবহার করা সম্ভব।


এদিকে এফবিআইয়ের তদন্তের দিকে এখন নজর রয়েছে। তথ্যগুলো সত্যিই কোনো বড় ধরনের সাইবার হামলার মাধ্যমে ফাঁস হয়েছে কি না এবং কতজন মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য এতে জড়িত, তা তদন্ত শেষে স্পষ্ট হবে। 


অভিযোগটি সত্য প্রমাণিত হলে উত্তর আমেরিকার ইতিহাসে সরকারি পরিচয়পত্র ফাঁসের অন্যতম বড় ঘটনা হিসেবে এটি বিবেচিত হতে পারে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম