ঢাকা ২৩ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
এমপি নজরুলের নতুন ভিডিও ভাইরাল ইংল্যান্ডে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে টাইগাররা, সূচি প্রকাশ দুই শ্রমিকের মারামারি থামাতে গিয়ে সহকর্মী নিহত প্রবাসীদের পাসপোর্ট সংশোধনের সময় আরও ৬ মাস বাড়ল রাষ্ট্রপতি চাইলে পদত্যাগ করতে পারবেন, সংবিধানে সেই সুযোগ আছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাত্তা পাচ্ছে না মোদির বিশেষ ঘোষণা, পদত্যাগই চাইছে ‘তেলাপোকা পার্টি’ চট্টগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ নির্ধারণ দল বহিষ্কার করলে এমপি পদ যাওয়ার সুযোগ নেই: ইসি মাছউদ ঠোঁটকাটা-তালুকাটা শিশুদের পুনর্বাসনে জাতীয় কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

জি ২০ শীর্ষ সম্মেলন ও বাংলাদেশের ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব

#

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  3:42 PM

news image

-অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া-


ভারতের রাজধানী দিল্লিতে জি-২০ সম্মেলন সম্প্রতি শেষ হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছাড়াও এতে যোগ দিয়েছে আমন্ত্রিত দেশসমূহ। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গ্রুপ মূলত উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার দিকে মনোনিবেশ করে। এটি আর্থিক খাত, করের ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক খাত সংস্কার ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। আর্থিক সংকটের আলোকে সংস্থাটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের উড সিস্টেম পরিবর্তন করেছে। জি-২০ গ্রুপ বছরে একবার মিলিত হয় এবং এজেন্ডাটি প্রায়ই প্রবৃদ্ধির কৌশল, আর্থিক ব্যবস্থার দুর্বলতার ওপর নজর রাখা এবং অননুমোদিত আর্থিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে মনোনিবেশ করে।

এবারের জি-২০ সম্মেলনটি বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র ‘অতিথি দেশ’ হিসেবে মনোনীত হওয়া বাংলাদেশের জন্য সম্মানের বিষয়। এ জোটে থাকা দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগের সম্পর্ক রয়েছে। তাদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকে এ সম্মেলনে আমন্ত্রণ পাওয়া ও তাতে যোগদান একটি মাইলফলক।  নির্বাচনের আগে এ ধরনের বৈশ্বিক প্ল্যাটফরমে বাংলাদেশের ইচ্ছা ও পরিকল্পনা তুলে ধরাও জরুরি। এর মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সাথে বাংলাদেশের আস্থার জায়গা তৈরি করাও এ সম্মেলনে যোগদান করার একটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। জি-২০ একটি বহুপাক্ষিক জোট। এখানে আলোচনাগুলো বহুপাক্ষিকভাবে হয়ে থাকে। কিন্তু সম্মেলনের বাইরেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এ বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের প্রতি ভারতের যে আস্থা রয়েছে সেটি প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে দ্বিপাক্ষিক অনেক বিষয় যেমন- বাণিজ্য, ট্রানজিট, বর্ডার, অর্থনীতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পেরেছি। অনেকেই হয়তো বলবেন ভারতের সঙ্গে আলোচনায় পানি নিয়ে কোনো কথা হয়নি কেন। আমি আগেই বলেছি জি-২০ একটি বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফরম সেখানে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হলেও খুব বেশি বিষয় নিয়ে আলোচনার সুযোগ থাকে না। তারপরও কিছু বিষয় আলোচনা হয়েছে, যা স্বস্তিদায়ক। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়েছে।

জি-২০ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দেখা-সাক্ষাৎ ও আলাপ আরেকটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। বাইডেনের বাংলাদেশের প্রতি যে আগ্রহ ও মনোযোগ আছে সেটির প্রতিফলন ঘটেছে এতে। বাইডেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কন্যা সায়েমা ওয়াজেদ পুতুল একসঙ্গে যে সেলফি তুললেন তার একটি অর্থ আছে। দুটো দেশের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতভিন্নতা থাকলেও তারা উভয়ই সহযোগিতার সম্পর্ক এগিয়ে নিতে ইতিবাচকভাবে ইচ্ছুক তারই বহির্প্রকাশ ঘটেছে এতে। বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন। তার মানে এই নয় যে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান সব মতবিরোধ সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু এর মাধ্যমে এক ধরনের বার্তা দেওয়া হলো যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ও ভারতের আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে এটিই হচ্ছে শেষ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক। বৈঠককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের দৃষ্টি এখন দিল্লিতে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তাদের ‘সোনালি অধ্যায়’ পার করছে। এই দ্বিপক্ষীয় বন্ধুত্বের ওপর সিলমোহর দিতেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের বিশেষ অতিথি হিসেবে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন। এতে বাংলাদেশকে অতিথি হিসেবে ভারতের আমন্ত্রণে দেশটি তার নিকটতম প্রতিবেশীকে ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ হিসেবে উচ্চ অগ্রাধিকারের কথা বলা হয়েছে।

ভারতের কাছে বাংলাদেশ কেন গুরুত্বপূর্ণ এমন প্রশ্নের বিশ্লেষণে বলা হয়, ২০২১-২২ সালে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। মহামারি সত্ত্বেও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০১৯ সালের ৯ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ২০২১ সালে ১৪ শতাংশ হারে বেড়েছে। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল অর্থনীতির একটি হিসেবে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে ভারতের জন্য আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। ভৌগোলিকভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য এবং ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোর মধ্যে অবস্থিত বাংলাদেশ তার বাণিজ্য ও যোগাযোগ উন্নত করার জন্য কাজ চলছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একাধিক বার ভারতকে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন, যা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম ও ত্রিপুরাকে উপকৃত করবে। দুই দেশের বাণিজ্যের জন্য বেশ কিছু নতুন পোর্ট অব কল এবং প্রোটোকল রুটে যুক্ত করা হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ আরো উন্নত করার জন্য ২০২১ সালে ফেনী নদীর ওপর মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছে, যা ভারতের ত্রিপুরার সাব্রুমকে বাংলাদেশের রামগড়ের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। পদ্মা সেতুও দুই দেশের মধ্যে সংযোগ উন্নত করতে অবদান রাখছে। রেলসংযোগের দিক দিয়ে ২০২২ সালে উত্তর পশ্চিমবঙ্গের নিউ জলপাইগুড়ি থেকে ঢাকা পর্যন্ত মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন হয়েছে। আখাউড়া-আগরতলা রেললাইন উদ্বোধন হচ্ছে। রিজিওনাল কানেক্টিভিটি বাদ দিলে অশান্তিপূর্ণ উত্তর-পূর্ব ভারতে শান্তি এনে দিয়েছে বাংলাদেশ। এর ফলে নিরাপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ ভারতের কাছে অপরিহার্য অংশীদার হয়ে উঠেছে।

২০২২ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ভারত জি-২০-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করছে। এক বছরের জন্য ইন্দোনেশিয়ার কাছ থেকে এ বিষয়ে দায়িত্ব নিয়েছে ভারত। জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অনেক প্রত্যাশা রয়েছে। তিনি ঐক্যকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এ কারণেই জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘এক বিশ্ব, এক পরিবার, এক ভবিষ্যত'।

১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই গ্রুপ মূলত উন্নত ও উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার দিকে মনোনিবেশ করে। এটি আর্থিক খাত, করের ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক খাত সংস্কার ইত্যাদি নিয়ে গঠিত। আর্থিক সংকটের আলোকে সংস্থাটি অনানুষ্ঠানিকভাবে ব্রিটেনের উড সিস্টেম পরিবর্তন করেছে। জি-২০ গ্রুপ বছরে একবার মিলিত হয় এবং এজেন্ডাটি প্রায়শই প্রবৃদ্ধির কৌশল, আর্থিক ব্যবস্থার দুর্বলতার ওপর নজর রাখা এবং অননুমোদিত আর্থিক ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে মনোনিবেশ করে।

এবার জি-২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের দায়িত্বে রয়েছে ভারত। উদীয়মান দেশগুলোর গ্লোবাল সাউথের মুখোমুখি অগণিত চ্যালেঞ্জের দিকে মনোযোগ আকর্ষণ করাই ভারতের লক্ষ্য। ইউক্রেনের সংঘাত নিয়ে রাশিয়া ও পাশ্চাত্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে মতবিরোধের ফলে ভারত এখন একটি কঠিন কূটনৈতিক পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছে।

জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনেও একই ধরনের বিবৃতি দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেমনটি জাতিসংঘে বাংলাদেশ দিয়েছে। রোহিঙ্গা-সংকট, অবকাঠামো উন্নয়ন, মহামারি মোকাবিলা এবং বাংলাদেশের জন্য অন্যান্য শীর্ষ উদ্বেগ বিশেষভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ২০০ থেকে ২৫০টি সভা হবে। প্রতিটি বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

জি-২০-এর সভাপতি হিসেবে অন্যান্য উদীয়মান দেশের নেতৃত্ব গ্রহণের সুযোগ ভারতের জন্য কেবল একটির চেয়ে বেশি। বিশেষ করে ভারতের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর জন্য সুযোগ রয়েছে। নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশগত জীবিকা এবং খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাসহ আজকের প্রধান উদ্বেগের বিষয়ে বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের এখন একধরনের সুযোগ রয়েছে।

ইউরোপীয়ে ইউনিয়ন এবং বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ১৯টি দেশ জি-২০ নিয়ে গঠিত। আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, দক্ষিণ কোরিয়া, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, যুক্তরাজ্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সদস্য। একটি আঞ্চলিক সংস্থা হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন। বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংয়ুক্ত আরব আমিরাত—এই ৯টি অতিথি দেশ।

এই সংস্থার সভাপতি ঐতিহ্যগতভাবে বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাকে সভা এবং শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশ, মিশর, মরিশাস, নেদারল্যান্ডস, নাইজেরিয়া, ওমান, সিঙ্গাপুর, স্পেন ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ভারত থেকে সফরের আমন্ত্রণ পেয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র দেশ বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। এই আমন্ত্রণ পাওয়া নিঃসন্দেহে বাংলাদেশ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য সম্মানের।

ব্রিকস ও জি-২০ সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো এবং তাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। বৈশ্বিক নেতৃত্বও এটি অনুধাবন করছে। মানবাধিকার ও গণতন্ত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের যেমন দৃষ্টি আছে ঠিক তেমনি বাজার ও বাণিজ্যের দিকেও তাদের দৃষ্টি রয়েছে। সবদিক থেকেই বাংলাদেশের উত্থান ঘটেছে। একে বাংলাদেশ কীভাবে কাজে লাগাবে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

বিদ্যমান বাস্তবতায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি কোন দিকে যাবে, সে বিষয়ে একটি জাতীয় ঐকমত্য থাকা দরকার। বিশ্ব থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আদায়ে আমাদের সঠিক নীতি-পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে বহির্বিশ্বের যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে সেটিকে বলা হয় মোমেন্টাম, তা ধরে রাখতে হলে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা জরুরি। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় না থাকলে বিশ্বের নজর বাংলাদেশের দিকে থাকবে না বা হারিয়ে যাবে। এদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।

লেখক: অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
ট্রেজারার
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
সাবেক চেয়ারম্যান
ট্যুরিজম অ্যান্ড হস্পিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম