ঢাকা ২৬ জুলাই, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাবেক দুই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ ফেরি থেকে মাঝপদ্মায় লাফ, কচুরিপানায় ৩০ কিমি ভাসার পর উদ্ধার যে সুযোগ পাওয়া গেছে, তা কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে: ফখরুল বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বাজারে পাওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের ২৬টিতেই মিলেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদের শ্রদ্ধাঞ্জলি আপনাদের সম্মিলিত কর্মদক্ষতা ও সুপরিচালনাই অতিথি গ্রুপের সাফল্যের চাবিকাঠি হজ নিবন্ধনের সময়সূচি ঘোষণা, যারা যেতে পারবেন না সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেওয়ার আইনি ভিত্তি দেখছে না সরকার এবার কাউন্সিলর একরাম হত্যা মামলায় আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা

জাম খাওয়ার পর ভুলেও খাবেন না এই ৪ খাবার

#

লাইফস্টাইল ডেস্ক

০৮ জুন, ২০২৬,  2:32 PM

news image

জাম একটি গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল। মিষ্টি ও রসালো স্বাদের এই ফলটি পুষ্টিগুণে ভরপুর। এ ফলের নানা উপাদান রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। আর জামে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ফাইবার। এ ফল পেট পরিষ্কার করে এবং পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জামের সঙ্গে কিছু খাবার একসঙ্গে খেলে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এতে গ্যাস, অম্বল, পেট ফাঁপা কিংবা অস্বস্তির মতো সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই জাম খাওয়ার সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

মিষ্টি 

আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, জাম খাওয়ার পরপরই ভুল করেও কখনো মিষ্টি খাওয়া উচিত নয়। কমপক্ষে আধাঘণ্টার ব্যবধান থাকা উচিত। তা না হলে হজমজনিত সমস্যা সৃষ্টি হবে।

পানি 

অন্যান্য রসালো ফলের মতো, জাম খাওয়ার পরপরই পানি পান করা উচিত নয়। এতে হজম প্রক্রিয়া খারাপ হতে পারে। ফলে পেট ফাঁপা ও গ্যাসের সমস্যা দেখা দেবে। 

 আচার

যে কোনো আচার সম্পূর্ণ নিষেধ। জাম টক-মিষ্টি স্বাদের একটি ফল। আর আচার প্রায় সম্পূর্ণ টক। তাই জাম ও আচার কখনই একসঙ্গে খাওয়া উচিত নয়। দুটি একসঙ্গে খেলে বুক জ্বালাপোড়া, গ্যাস, অ্যাসিডিটি এবং বদহজমের মতো সমস্যা হতে পারে।

দুধ 

আবার জামের সঙ্গে দুধ খাওয়া ঠিক নয়। জাম খাওয়ার আগে কিংবা পরে কখনই দুধ খাবেন না। কারণ উভয়েরই ঠান্ডা প্রভাব রয়েছে। এ কারণে দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে বদহজম, গ্যাস ও অ্যাসিডিটি হতে পারে । যদি আপনি দুটি খাবারই খেতে চান, তাহলে কমপক্ষে আধাঘণ্টার ব্যবধান রাখা উচিত। 

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম