ঢাকা ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সাইবার সুরক্ষা আইন এখনো চূড়ান্ত নয় : তথ্য উপদেষ্টা মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিকে হামলা-লুটপাটের মামলায় গ্রেপ্তার ৪ জাবির নতুন ভিসি নূরুল ইসলাম জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক থেকে আ.লীগের শতাধিক নেতাকর্মী আটক সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আরেকটি সুখবর সাদিক কায়েমকে সতর্ক করলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী ফ্যাসিবাদীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখলে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা, পুলিশকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বনানীতে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের ২ আরোহী নিহত পুলিশের নতুন ইউনিট গঠনের ঘোষণা মধ্যরাতে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে শত শত মুখোশধারীর হামলা

ছয় মাসে প্রায় ২১,০০০ বাংলাদেশি ইইউতে আশ্রয় চেয়েছেন

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩,  4:45 PM

news image

ছয় মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) আশ্রয় চেয়েছে প্রায় ২১ হাজার বাংলাদেশি। চলতি ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত জোটের ২৭  সদস্য দেশ এবং সহযোগী সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েতে আশ্রয়ের জন্য কতো আবেদন জমা পড়েছে তা প্রকাশ করেছে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এজেন্সি ফর অ্যাসাইলাম (ইইউএএ)। এতে আশ্রয় আবেদনকারীদের  মধ্যে ছয় নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশিরা। ইইউএএ জানিয়েছে, এ বছরের প্রথম ছয় মাসে মোট আবেদন এসেছে ৫ লাখ ১৯ হাজার। এই সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। মোট আবেদনকারীদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা ২০ হাজার ৯২৬ জন। মঙ্গলবার নিজেদের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে সংস্থাটি। ধারণা করা হচ্ছে, এই হারে আবেদন পড়তে থাকলে এ বছরের শেষ নাগাদ মোট আবেদনের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। সিরিয়া যুদ্ধের কারণে ২০১৫-১৬ সালে সর্বশেষ এত বেশি আশ্রয় আবেদন পেয়েছিল ইইউ। ২০১৫ সালে ইউরোপীয় দেশগুলো সাড়ে ১৩ লাখ আশ্রয় আবেদন পেয়েছিল। ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা ছিল সাড়ে ১২ লাখ। কিন্তু ২০১৭ সালে ইইউ তুরস্কের সঙ্গে অবৈধ সীমান্ত পারাপার রোধে চুক্তি করার পর আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা কমে আসে ২০২০-২১ সালে করোনাভাইরাস মহামারীর সময় ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণেও আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা ছিল অনেকটাই কম। তবে সেই সংখ্যা আবারও বাড়ছে। ইইউএএ বলেছে, ২০২২ সালে আশ্রয় আবেদনের সংখ্যা একলাফে ৫৩ শতাংশ বেড়ে যায়। এ কারণে ইউরোপীয় দেশগুলো ‘চাপে পড়েছে’ বলে মনে করছে সংস্থাটি।রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনীয়দের বিশেষ সুরক্ষা সুবিধা দিচ্ছে ইইউ। এর মাধ্যমে অন্তত ৪০ লাখ ইউক্রেনীয় ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশ্রয় পেয়েছেন। তাদের বসবাসের বন্দোবস্ত করতে গিয়েই চাপে পড়তে হচ্ছে দেশগুলোকে। তবে এছাড়াও আবেদনকারীদের মধ্যে এক-চতুর্থাংশই সিরীয় এবং আফগান নাগরিক রয়েছেন। এরপর রয়েছেন ভেনেজুয়েলা, তুরস্ক, কলম্বিয়া, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের নাগরিকরা। সূত্র: ইইউএএ

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম