ঢাকা ২৬ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু ডিএনসিসি'র উদ্যোগে ২৮ জুন অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ভূমিকম্পের আঘাতের পর ভেনেজুয়েলায় ২০টির বেশি আফটারশক রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: আসামি পক্ষে স্টেট ডিফেন্স নিয়োগ ভিসা নিয়ে সুখবর দিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ‘৫০ বছরে আ.লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ’ তিস্তা ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস চীনের প্রচলিত বাজেটের মডেলকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করেছি: অর্থমন্ত্রী দেশে প্রায় ৮২ লাখ মানুষ মাদক ব্যবহার করছে ৪৩তম বিসিএস: নন ক্যাডারের ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৫ জুলাই, ২০২৩,  11:53 AM

news image

উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধায় সবগুলো নদ-নদীর পানি বেড়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি উপজেলার তিস্তামুখঘাট পয়েন্টে ৩০ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরে নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ৩১ সেন্টিমিটার, তিস্তার পানি সুন্দরগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার ও করতোয়ার পানি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চকরহিমাপুর পয়েন্টে ৪৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কোন নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ৯টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৬ সেন্টিমিটার, ঘাঘটের পানি ৭০ সেন্টিমিটার, তিস্তার পানি ১৫ সেন্টিমিটার এবং করতোয়ার পানি ৩৮৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এর আগে, শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এ পরিমাণ পানি বৃদ্ধি পায়। ২৪ ঘন্টায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় ৯ মিলিমিটার। এতে করে গাইবান্ধার ১৬৫টি চরের নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হাফিজুল হক মুঠোফোনে বলেন, নদ-নদীর পানি বেড়ে যাবার কারণে সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। তিনি বলেন গাইবান্ধা জেলায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীরে ২৩ কিলোমিটার এলাকায় ভাঙ্গন প্রতিরোধে স্থায়ী প্রকল্প নাই। এসব এলাকার কিছু কিছু স্থানে ভাঙ্গন রয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সিংগিজানি এলাকায় দেড় হাজার মিটার এলাকায় তিস্তার ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার অন্তত ৩০০ পরিবার ঘরবাড়ি, ভিটেমাটি ও আবাদি জমি হারিয়েছে। জিও ব্যাগ ফেলে ৮০০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন ঠেকাতে সক্ষম হলেও আরও ৬০০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ইউনিয়নের খারজানি, পারদিয়া ও কুন্দেরপাড়া গ্রাম, মোল্লারচর ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্রের ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার অন্তত ২০০ পরিবার গৃহহারা হয়েছে। ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়া ইউনিয়নে রতনপুর গ্রামের প্রায় ১ হাজার ২০০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয়। এখানে গৃহহারা হয়েছে অন্তত ১৫০ পরিবার। এর মধ্যে ৮০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙ্গন বন্ধ করা হলেও ৪০০ মিটার এলাকায় ভাঙ্গন রয়েছে। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসাহাক আলী বলেন, হলদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর পয়েন্টে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছিল। সেখানে জিও ব্যাগ ফেলে তা বন্ধ করা হয়েছে।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম