ঢাকা ১৮ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ মহাসড়কে গতি সীমাসহ ট্রাফিক আইন ভাঙলেই অটো ফাইন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেল্লা বাবার মাজারের দানবাক্সে মিলল ১২ বস্তা টাকা কাতার পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান দুই জঙ্গিসহ জেল পালানো ৬৯০ বন্দি এখনও পলাতক: কারা মহাপরিদর্শক হঠাৎ বিশ্ববাজারে সোনার দামে পতন মহাসড়কে ট্রাফিক আইন ভাঙলেই অটো ফাইন পদত্যাগ করছেন পিএসসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের গ্রিসে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহী নিহত নারীদের জন্য চালু হলো ‘পিংক বাস’ সার্ভিস, চলবে ১৪ রুটে

কেল্লা বাবার মাজারের দানবাক্সে মিলল ১২ বস্তা টাকা

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৮ আগস্ট, ২০২৬,  3:37 PM

news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার খড়মপুর শাহ সৈয়দ আহাম্মদ গেছুদারাজ (রহ.) ওরফে কেল্লা বাবার মাজারের চারটি দানবাক্স খুলে এবার মিলেছে কোটি টাকার বেশি। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ১৯ ঘণ্টা ধরে গণনা শেষে চার দানবাক্স থেকে মোট ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা পাওয়া গেছে। পাশাপাশি মিলেছে বিভিন্ন দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকার।


মাজারের ইতিহাসে এবারই প্রথম দানবাক্স থেকে কোটি টাকার বেশি অর্থ পাওয়া গেল। গণনা শেষে পাওয়া নগদ অর্থ মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে জমা দেওয়া হয়েছে।


মাজার পরিচালনা কমিটি ও উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সাত দিনব্যাপী ওরসকে কেন্দ্র করে গতকাল সোমবার সকাল ৯টার দিকে চারটি দানবাক্স খোলার কাজ শুরু হয়। গণনা শেষ হয় রাত সাড়ে ৪টার দিকে। চারটি দানবাক্স থেকে প্রায় ১২ বস্তা টাকা বের করা হয়।


দানবাক্স খোলা ও টাকা গণনার পুরো প্রক্রিয়া আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি তাপসী রাবেয়ার নেতৃত্বে সম্পন্ন হয়। সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরিফ মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক স্বেচ্ছাসেবী টাকা গণনায় অংশ নেন।


এর আগে গত ১০ আগস্ট মাজারে সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৪ আগস্ট রাত ১২টা ১ মিনিটে অনুষ্ঠিত হয় আখেরি মোনাজাত। এতে দেশের বিভিন্ন এলাকা ছাড়াও বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান অংশ নেন। ১৬ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত ওরসের আনুষ্ঠানিকতা চলে।


ওরস উপলক্ষে মাজারে আসা ভক্তরা চারটি দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা-রুপা ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা দান করেন। দানবাক্সের অর্থের সঙ্গে পাওয়া স্বর্ণালংকার, রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবও করা হয়েছে। মাজার প্রাঙ্গণে ভক্তদের দেওয়া বিভিন্ন পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাবও চলছে। এসব সামগ্রী মাজার কর্তৃপক্ষের জিম্মায় রাখা হয়েছে।


মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ওরফে মিন্টু খাদেম জানান, এর আগে ২০২৩ সালে দানবাক্স থেকে ৮৪ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ৬৪ লাখ টাকা এবং ২০২১ সালে ৬১ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তবে এবারই প্রথমবারের মতো দানবাক্সে কোটি টাকার বেশি অর্থ মিলেছে।


স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, প্রায় ৭০০ বছরের পুরোনো এই মাজারকে ঘিরে প্রতিবছর ওরসের সময় বিপুলসংখ্যক ভক্তের সমাগম হয়। তাদের দেওয়া দানেই প্রতিবছর দানবাক্সে জমা হয় বিপুল পরিমাণ অর্থ।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম