ঢাকা ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সেরা টি-টোয়েন্টি বোলিং পারফরম্যান্স মনোনয়নে শেখ মেহেদী লাভ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানোর ঘোষণা কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ প্রথমবারের মতো সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ নতুন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম পদোন্নতিপ্রাপ্ত ২ সেনা কর্মকর্তাকে র‌্যাঙ্ক ব্যাজ পরালেন প্রধানমন্ত্রী জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস অল্প সময়ের মধ্যে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে: মির্জা ফখরুল বেসরকারি মাদরাসায় নিয়োগে নতুন নির্দেশনা, না মানলে এমপিও বন্ধ

কালকিনিতে অসহায় স্ত্রীকে দেনার দায়ে ফাঁসিয়ে প্রতারক স্বামী লাপাত্তা

#

০২ জুন, ২০২২,  3:54 PM

news image

কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধিঃ মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুর গ্রামে আসমা বেগম(৩৫) নামের এক অসহায় নারীকে ২শিশু সন্তান সহ দেনার দায়ে ফাঁসিয়ে লাপাত্তা হয়েছে তার প্রতারক স্বামী আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেন। স্বামী প্রায় ২০লক্ষ টাকা দেনা রেখে লাপাত্তা হওয়ার পরে পাওনাদারদের চাঁপে ২শিশু সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছে গৃহবধু। তাই প্রতারক স্বামীর খোঁজে এবং তাকে আইনের আওতায় আনতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে সে। জানাগেছে, ঢাকায় গার্মেন্টে চাকরির সুবাদে ২০বছর আগে কালকিনি পৌর এলাকার গোপালপুর গ্রামের মাজেদ মুন্সির মেয়ে আসমা বেগমের সাথে পারিবারিক প্রস্তাবে বিয়ে হয় আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেনের। তবে মেয়ের পরিবারের ঠিকানা পুরো জানলেও নিজেকে এতিম দাবী করে কোন ঠিকানা নেই বলে দাবী করে ঢাকার ভাড়া বাসার ঠিকানা ব্যবহার করে প্রতারক আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেন।

আর বিয়ের পর তাদের একটি পুত্র সন্তান হয়। কিন্তু প্রতারক আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেন সে’সময় স্ত্রী সন্তান রেখে পালিয়ে যায়। স্ত্রী আসমা বেগম জীবন সংগ্রামে শিশু সন্তান রেখে বিদেশে যায় কাজ করতে। আর নিজের শ্রম ও কষ্টের বিনিময়ে তার সংসারে সুদিন ফিরে আসে। আর এই খবর পলাতক প্রতারক আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেন জানলে স্বামীর অধিকার নিয়ে সে ফিরে আসে । অনেক অনুনয় বিনয়ের পরে অসহায় আসমা বেগম তাকে মেনে নেয়। আর পরে তাদের সংসারে আরো একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু প্রতারক আবু তাহের মোঃ লোকমান হোসেন এবার স্ত্রীর টাকায় শশুড় বাড়িতে একটি গরুর খামার প্রতিষ্ঠা করে। এসময় সে খামার বড় করার কথা বলে বিভিন্ন এনজিও ও বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে প্রায় ২০লক্ষ টাকা ধার দেনা করে। কিন্তু খামারের গরু বিক্রি করে গত ৩১মে সকালে আরো গরু কেনার কথা বলে পালিয়ে যায়। প্রথমে ফোন রিসিভ করে আমি আর ফিরবো না জানালেও পরে মোবাইলও বন্ধ রাখে। অপরদিকে পাওনাদারেরা টাকার জন্য স্ত্রী আসমা বেগমের ওপর চরম চাঁপ প্রয়োগ করতে থাকে। এতে করে ২শিশু সন্তান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পরেছে ভূক্তভোগী সেই গৃহবধু। এব্যাপারে ভূক্তভোগী আসমা বেগম বলেন ‘ আমার প্রতারক স্বামীর বিরুদ্ধে আমি এখন মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম