ঢাকা ০১ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসকে বিকৃত করবে না: তথ্যমন্ত্রী পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর ফায়ার সার্ভিসের নতুন পরিচালক মাহমুদুল হাসান সাপ্তাহিক ছুটি বাড়তে পারে সরকারি চাকরিজীবীদের ইরান যুদ্ধের কারণে ২০০ ডলার ছুঁতে পারে তেলের দাম দিনে ১৩ ঘণ্টা পাম্প বন্ধ রাখতে চান মালিকরা বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসি'র মাসব্যাপী বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ রাজধানীতে স্কুলকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খোঁজার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ঝালকাঠিতে জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির ‘খটক মাছ’, বিক্রি আড়াই লাখ টাকায়

কাঁচামরিচের কেজি ১০০ টাকা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ এপ্রিল, ২০২২,  2:50 PM

news image

এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারে বেড়েছে কাঁচা মরিচের দাম। কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়ে ১০০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। মরিচের ঊর্ধ্বমুখীতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। প্রকারভেদে কাওরান বাজারে যে মরিচ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০-১০০ টাকায়, সেই মরিচ এলাকার বিভিন্ন বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়। আজ রাজধানীর কাওরান বাজার, রামপুরা, বৌ-বাজার ঘুরে কাঁচা মরিচের দামের এমন চিত্র দেখা গেছে। কাওরান বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজ্জাক বলেন, সাধারণত বাজারে দুই ধরনের মরিচ বেশি বিক্রি হয়। একটিকে দেশিজাত, অন্যটিকে বিন্দু মরিচ বলে।

কাওরান বাজারে দেশি মরিচের পাল্লা ৪০০-৪৫০ টাকা এবং বিন্দু মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা পাল্লা। সরবরাহ আগের মতোই মনে হচ্ছে। তারপরও দাম একটু বেশি। অন্যদিকে মধুবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা মালেক বলেন, প্রতি পাল্লা মরিচ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় কিনলে গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য খরচ ধরে ৯০-১০০ টাকার উপরে বিক্রি না করলে আমাদের চলে না। এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে। কেন বেড়েছে বাজারের লোকজন বলতে পারছে না। এরমধ্যে বিন্দু জাতের মরিচ ১০০ টাকার বেশি দামেও বিক্রি করতে হচ্ছে। এখন আবার বেড়েছে বেগুনের দাম। অন্যদিকে আজকের বাজার ঘুরে শসার দাম তুলনামূলক কম পাওয়া গেছে। শসা বিক্রি হচ্ছে মান ভেদে ৪০-৪৫ টাকা কেজিতে। অন্যদিকে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়।বাজারে আসা ক্রেতা রফিক মণ্ডল বলেন, চাকরিজীবীদের বর্তমানে টিকে থাকা দায়। প্রতিদিনই কিছু না কিছু পণ্যের দাম বাড়ছে। সরকার বা সরকারের কোনো কোনো সংস্থার নিয়ন্ত্রণ নেই। মাঝখান থেকে আমাদের মতো নিম্নবিত্তের সমস্যার শেষ নেই।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম