NL24 News
২৫ এপ্রিল, ২০২৬, 2:02 PM
কলাবাগান এসটিএস-এর নান্দনিক রূপান্তর ও ধানমন্ডিতে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কাজের শুভ উদ্বোধন
মো. জাহিদুর রহমান: ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে রাজধানীর কলাবাগানে অবস্থিত বর্জ্যের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস)-এর আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন সংস্করণ আজ শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম এই উন্নয়নমূলক কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। কলাবাগান এসটিএস-এর সংস্কার কাজ উদ্বোধন শেষে প্রশাসক বলেন, "ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার কারণে অতীতে এখানে সৃষ্ট দুর্গন্ধ ও যানজটে সাধারণ মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। আজ থেকে সেই সমস্যাগুলো পেছনে ফেলে এটি একটি নান্দনিক স্থাপনায় পরিণত হলো।" তিনি আরও জানান, জনগণের সহযোগিতা পেলে এই মডেল অনুসরণ করে ডিএসসিসির প্রতিটি এসটিএস-কে পর্যায়ক্রমে নান্দনিক রূপে সাজানো হবে।
ধানমন্ডি লেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানঃ
এসটিএস উদ্বোধনের পরপরই ধানমন্ডি লেক ও সংলগ্ন এলাকায় এক বিশাল পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা হয়। ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্য বিভাগের মোট ৬০০ জন কর্মী এই অভিযানে অংশ নেন। অভিযানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। পরিচ্ছন্নতা অভিযান চলাকালে প্রশাসক হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, "যেকোনো মূল্যে ধানমন্ডি লেকের পরিবেশ ও ভারসাম্য সংরক্ষণ করা হবে। লেকের যতটুকু জায়গা ইজারা দেওয়া হয়েছে, ব্যবসায়ীদের ঠিক ততটুকু সীমানার মধ্যেই ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, ইজারার শর্ত ভঙ্গ বা সীমানা লঙ্ঘন করলে তাৎক্ষণিকভাবে ইজারা বাতিল করা হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী শেখ রবিউল ইসলাম ডিএসসিসির সাম্প্রতিক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, "ধানমন্ডি লেককে ঘিরে লাইব্রেরি, জিমনেসিয়াম ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে এই এলাকার 'ফুসফুস' খ্যাত লেকটিকে রক্ষা করবে ডিএসসিসি। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মশক নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএসসিসি পূর্বের তুলনায় দৃশ্যমান উন্নতি করেছে।" মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসকের কঠোর তৎপরতার কারণেই বর্তমানে মশা নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল হয়েছে। মূল অভিযানের পূর্বে একটি জনসচেতনতামূলক র্যালি বের করা হয়। এতে ধানমন্ডি সোসাইটির সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় বাসিন্দারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।