ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১১ জনের মৃত্যু জামায়াত আমির কখনোই সুষ্ঠু চিন্তা করেন না: মির্জা ফখরুল বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটা শুরু করেছে: জামায়াত আমির নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর কাস্টমস কর্মকর্তা মরদেহ ফুটপাত থেকে উদ্ধার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে দুঃসংবাদ যুদ্ধের ডামাডোল পেরিয়ে হজে যাচ্ছেন ৩০ হাজার ইরানি গরমের তীব্রতা নিয়ে ২১ জেলার জন্য দুঃসংবাদ সারা দেশে উচ্চ সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যে কারণ কলাবাগান এসটিএস-এর নান্দনিক রূপান্তর ও ধানমন্ডিতে ডিএসসিসির পরিচ্ছন্নতা কাজের শুভ উদ্বোধন ভিসা নিয়ে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের দুঃসংবাদ দিলো যুক্তরাষ্ট্র

কবর থেকে তোলা হলো সেই কুয়েট শিক্ষকের লাশ

#

নিজস্ব প্রতিনিধি

১৫ ডিসেম্বর, ২০২১,  12:24 PM

news image

দাফনের ১৪ দিন পর খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) শিক্ষক ড. মো. সেলিম হোসেনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১০ টা ১০ মিনিটের সময় কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রাম কবরস্থান থেকে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহম্মেদ সাদাত, খুলনা ও কুমারখালী থানা পুলিশের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় পরিবারের সদস্যগণ ছাড়াও বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে ভিড় জমান। লাশ উত্তোলণের পর পরই ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ প্রহরায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ড. সেলিম হোসেনের লাশ কবর থেকে উত্তোলণের খবর পেয়ে বাঁশগ্রাম কবরস্থানে শত শত উৎসুক নারী পুরুষ উপস্থিত হন।

থানা পুলিশ ও একজন মেডিকেল অফিসার সেলিমের কবরস্থানের কাছে আসেন। এ সময় ড. সেলিম হোসেনের বাবা শুকুর আলী, তার দুই মেয়ে শিউলী ও শ্যামলীসহ নিকট আত্মীয়রা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরও লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. ফারহান লাবিব উপস্থিত সবাইকে জানান, সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার কারণে লাশ আজ (মঙ্গলবার) কবর থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে না। বুধবার সকাল ৮টায় ড. সেলিম হোসেনের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। প্রসঙ্গত, গত ৩০ নভেম্বর মঙ্গলবার কুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদমান নাহিয়ান সেজানের নেতৃত্বে একদল শিক্ষার্থী অধ্যাপক সেলিমের সঙ্গে দেখা করেন। এরপর ওই শিক্ষক বাসায় ফিরে মারা যান। অভিযোগ উঠেছে, সেজানসহ ওই শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সেলিমকে লাঞ্ছিত করেছিলেন, যা তাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। পরদিন ১ ডিসেম্বর বুধবার অধ্যাপক সেলিমকে তার গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাঁশগ্রামে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় খুলনার খানজাহান আলী থানার ওসি প্রবীর কুমার বিশ্বাস অধ্যাপকের লাশ কবর থেকে উত্তোলণ করে ময়নাতদন্তেরর জন্য গত ৫ ডিসেম্বর দুপুরে খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে আবেদন জানান। খুলনার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি কুষ্টিয়ার জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানোর পরিপ্রেক্ষিতে ড. সেলিম হোসেনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

logo

সম্পাদক ও প্রকাশক : মো. নজরুল ইসলাম